Breaking News
 
বিক্ষোভের জেরে দিল্লি অবরুদ্ধ কেন? যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের Anubrata Mandal: কেষ্টর নিরাপত্তায় রাজ্য সরকারের বড় পদক্ষেপ, এবার সশস্ত্র দেহরক্ষী পেলেন অনুব্রত Humayun Kabir: ‘২০২৯-এর পর দুবাই চলে যাব’, রেজিনগরে হারতেই বড় ঘোষণা হুমায়ুন কবীরের! WB By-Elections: নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে বিজেপির জয়জয়কার, ‘কংগ্রেস মরা দল’ কটাক্ষ শুভেন্দুর, সংখ্যালঘুদেরও ধন্যবাদ মুখ্যমন্ত্রীর President Murmu to meet I.N.D.I.A. bloc leaders: জ্ঞানেশের পদত্যাগের দাবিতে একজোট ইন্ডিয়া, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠকে মমতা-রাহুলরা Appointment Letter for an Athlete: খেলার মাঠে সাফল্যের স্বীকৃতি, ৭৮ পদকজয়ী ক্রীড়াবিদকে সরকারি চাকরির পথে রাজ্য সরকার

 

Country

5 months ago

Kerala CM : স্থানীয় নেতাদের বঞ্চনার অভিযোগ, কেরল জয়ের পরই সিএম নির্বাচন বিতর্কে চাপের মুখে কংগ্রেস শিবির

Congress leader Ramesh Chennithala
Congress leader Ramesh Chennithala

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনে কংগ্রেসের প্রাপ্তি খুব বেশি না হলেও কেরল-এ জয় দলকে নতুন করে রাজনৈতিক অক্সিজেন জুগিয়েছে। বিশেষ করে বাম শাসনের অবসান কংগ্রেসের জন্য বড় সাফল্য হিসেবেই দেখা হচ্ছে। তবে জয় আসার সঙ্গে সঙ্গেই সামনে এসেছে নতুন চ্যালেঞ্জ—মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন। দলে একাধিক শক্তিশালী মুখ থাকায় নেতৃত্ব বাছাই করতে কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন কংগ্রেস নেতৃত্ব। সাংসদ ও জনপ্রিয় নেতা শশী থারুর, প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা ভি ডি সতীশন, রয়েছেন বিরোধী দলনেতা রমেশ চেন্নিথালা। তবে শেষ পর্যন্ত হাইকমান্ডের পছন্দই নির্ধারণ করবে নেতৃত্ব। সেই জায়গায় কে সি বেণুগোপাল-কে অনেকেই এগিয়ে রাখছেন। 

সোমবার গণনার পর দেখা যায়, কেরলমে বিপুল জয় পেয়েছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউডিএফ)। তারপরই চর্চায় উঠে আসেন দলের অন্যতম সাধারণ সম্পাদক, সংগঠন বেণুগোপাল। দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের একজন বিশ্বস্ত লেফটেন্যান্ট হিসেবে বেনুগোপালকে প্রকৃতপক্ষে বিধানসভা নির্বাচনের একেবারে শুরু থেকেই সম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল। তবে রাজ্যে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন জোটের পুনরায় ক্ষমতায় ফেরা নিশ্চিত ছিল না। তবে পাশা উলটোতেই জল্পনা গতি পেয়েছে। যে নেতা সাম্প্রতিক বছরগুলিতে মূলত রাজ্য-স্তরের রাজনীতির প্রচারের আড়ালে থেকেছেন, তাঁর জন্য এই নতুন করে শুরু হওয়া জল্পনা একটি আকর্ষণীয় মোড়। 

কান্নুরের অধিবাসী, ৬৩ বছর বয়সী এই নেতা ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন এবং কেরল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন ও পরে ইন্ডিয়ান ইয়ুথ কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বে উঠে আসেন। তিনি ১৯৯৬ সাল থেকে টানা তিনবার কেরল বিধানসভায় আলাঙ্গুঝার প্রতিনিধিত্ব করে উল্লেখযোগ্য সাফল্যের সাথে নির্বাচনী রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। তিনি ২০০৪ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে ওমেন চান্ডির মন্ত্রিসভায় দেবস্বম ও পর্যটন মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীকালে ২০০৯ সালে তিনি আলাম্বুঝা থেকে লোকসভায় নির্বাচিত হন এবং মনমোহন সিংয়ের নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে রাহল গান্ধীর বিশ্বাসভাজন হিসেবে উঠে আসেন। নবনির্বাচিত কংগ্রেস বিধায়কদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের মধ্যে তাঁর আপেক্ষিক গ্রহণযোগ্যতাকে তাঁর সুবিধা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে এমন পরিস্থিতিতে যেখানে বহু গোষ্ঠীতে বিভক্ত কেরল কংগ্রেসকে যিনি এক সুতোয় বাঁধতে পারেন বলেই মনে করা হচ্ছে।

তবে এ নিয়ে প্রশ্নও রয়েছে বিস্তর। হাই কম্যান্ডের আস্থাভাজন হলেও ভেনুগোপাল জননেতা নন। কেরলে মাঠে নেমে দীর্ঘদিন রাজনীতি করেননি। যে কাজটা করেছেন ভিডি সতীশন, রমেশ চেন্নিথালারা। কঠিন সময়ে বিধায়কদের পাশে থেকেছেন তাঁরা। তাঁদের বঞ্চিত করে রাহুল ঘনিষ্ঠকে মুখ্যমন্ত্রী করাটা কতটা যুক্তিযুক্ত?

You might also like!