কলকাতা, ২২ সেপ্টেম্বর : আগামীকাল ২২ সেপ্টেম্বর, ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক নবাব মনসুর আলি খান পাতৌদির ৯৩-তম মৃত্যুবার্ষিকী। মাত্র ২১ বছর বয়সে ভারতীয় দলের অধিনায়ক নির্বাচিত হন। তিনি ভারতের হয়ে ১৯৬১ থেকে ১৯৭৫ পর্যন্ত ৪৬টি টেস্ট ম্যাচে অংশ নিয়েছিলেন, যার মধ্যে ৪০টি ম্যাচেই তিনি ছিলেন দলের অধিনায়ক। শুধু জন্মসূত্রে নন, মনসুর আলি খান পতৌদি মানুষের ভালবাসায় নবাব। এক দুর্লভ আভিজাত্যে মোড়া অভিযোগহীন, নম্র এই মানুষটি একটি চোখ ছাড়াই ক্রিকেটে যে ম্যাজিক দেখিয়ে গিয়েছেন।
কিন্তু ১৯৬১ সালে ইংল্যান্ডে একটি দুর্ঘটনায় বদলে যায় জীবন। একটি চোখ বাঁচানো গেলেও অপর চোখটি নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু এরপরেও পিছিয়ে যাননি তিনি। সেই বছরের ডিসেম্বর মাসে তিনি ভারতের জার্সি গায়ে দেন। ক্রিকেট মাঠে তাঁর আগ্রাসনের জন্য মনসুর আলি খান নাম বদলে হয়ে যায় টাইগার। নবাব পরিবারের ছেলে হলেও ক্রিকেটই ছিল টাইগার পতৌদির ধ্যান জ্ঞান। তার বাবা ইফতিকার আলি খান পতৌদি ক্রিকেট জগতে এক সুপরিচিত নাম। বাবার মত তিনিও ক্রিকেটার হতে চেয়েছিলেন। সেইজন্য দুর্ঘটনায় একটি চোখ নষ্ট হলেও তিনি ক্রিকেট খেলা থেকে পিছিয়ে আসেননি। ১১ বছর বয়সে নবাব হলেও ক্রিকেটকে কোনওদিন ভোলেননি তিনি। উইনচেস্টারে স্কুল ক্রিকেট খেলার সময় তিনি একটা মরশুমে করেছিলেন ১০৬৮ রান। মাত্র ১৬ বছর বয়সে তিনি সাসেক্সের হয়ে নেমেছিলেন। যা ছিল রেকর্ড।
১৯৬২ সালে উইসডেন ক্রিকেটার অফ দ্যা ইয়ার হন তিনি। ফুসফুসের সংক্রমণের দরুন তিনি ২২ সেপ্টেম্বর ২০১১ তারিখে দিল্লির একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।
