
কলকাতা, ১ নভেম্বর : দক্ষিণ আফ্রিকা: (৫ জয়, হার ১) :শক্তি: আগে ব্যাট করে রানের পাহাড়: ওপেনিং থেকে মিডল অর্ডার বিস্ফোরক সব ব্যাটসম্যান। কুইন্টন ডি কক থেকে হাইনরিখ ক্লাসেন হয়ে ডেভিড মিলার! আর এই ব্যাটিং শক্তি নিয়ে চার ম্যাচে আগে ব্যাট করে ৩০০–এর বেশি স্কোর গড়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এর মধ্যে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই তুলেছিল রেকর্ড গড়া ৪২৮। এইডেন মার্করাম, রাসি ফন ডার ডুসেন ও মার্কো ইয়ানসেনরাও দুর্দান্ত সব ইনিংস খেলছেন।
দুর্বলতা:
রান তাড়া: বিশ্বকাপে এ পর্যন্ত ২ ম্যাচে রান তাড়া করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এর মধ্যে হেরেছে একটিতে, বাকি ম্যাচে জিতেছে কোনক্রমে! নেদারল্যান্ডসের ২৪৫ রান তাড়া করতে নেমে ৩৮ রানে হেরেছিল প্রোটিয়ারা। আর পাকিস্তানের বিপক্ষে রান তাড়া করে জিতেছে ১ উইকেটে।
ম্যাচ বাকি: নিউজিল্যান্ড (১ নভেম্বর), ভারত (৫ নভেম্বর) ও আফগানিস্তান (১০ নভেম্বর)। নিউজিল্যান্ড: (৪ জয়, হার ২) :
শক্তি:
উঠতি তারকারা: রাচিন রবীন্দ্র! বিশ্বকাপে অভিষেক ম্যাচেই সেঞ্চুরি করেছেন।তারপর আরও একটা সেঞ্চুরি, ফিফটিসহ এখন তৃতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। বিশ্বকাপে এসেই দুর্দান্ত খেলছেন ২৩ বছর বয়সী এই ওপেনিং ব্যাটসম্যান। অলরাউন্ডারও। দলের প্রয়োজনে বলও করতে পারেন।
দুর্বলতা:
চাপে নড়বড়ে: নিউজিল্যান্ড টেবিলের শীর্ষ চারে (তৃতীয়) থাকলেও সেমিফাইনাল আগেভাগেই নিশ্চিতের সুযোগ ছিল। যে দুই ম্যাচে হেরেছে, এ দুটি ম্যাচেই জয়ের সুযোগ ছিল কিউইদের। কিন্তু ম্যাচের কিছু মুহূর্তে চাপ কাটিয়ে উঠতে পারেনি উইলিয়ামসনের দল। ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চাপের দুটি ম্যাচে হেরেছে নিউজিল্যান্ড। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেও চাপ কাটিয়ে উঠতে পারেনি তারা।
ম্যাচ বাকি: দক্ষিণ আফ্রিকা (১ নভেম্বর), পাকিস্তান (৪ নভেম্বর) ও শ্রীলঙ্কা (৯ নভেম্বর)।
