Game

59 minutes ago

CJP Protest Today : দিল্লিতে আটক ‘ককরোচ’ নেতারা, এরই মধ্যে সমাজমাধ্যমে কটাক্ষ দানিশ কানেরিয়ার!

Danish Kaneria tweet on CJP protest today
Danish Kaneria tweet on CJP protest today

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র আন্দোলন ঘিরে উত্তপ্ত রাজধানী দিল্লি। বিক্ষোভের আঁচ সামাল দিতে গোটা শহরজুড়ে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ইতিমধ্যেই আটক করা হয়েছে দলের একাধিক নেতাকে। পাশাপাশি, বিধিনিষেধ অমান্য করলে উপযুক্ত আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলেও সতর্ক করেছে পুলিশ। এই পরিস্থিতিতে সমাজমাধ্যমে বিস্ফোরক পোস্ট করে নতুন করে আলোচনায় উঠে এলেন প্রাক্তন পাকিস্তানি ক্রিকেটার দানিশ কানেরিয়া। সরাসরি কারও নাম না করলেও, তাঁর পোস্টে ‘ককরোচ’দের বিরোধিতার সুর স্পষ্ট বলে মনে করছেন অনেকে।

এক্স হ্যান্ডলে কানেরিয়া লিখেছেন, ‘আশা করব দিল্লি পুলিশ টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেবে।’ এর সঙ্গে সরাসরি কোথাও ‘ককরোচ’ আন্দোলনের কথা নেই। কিন্তু সোশাল মিডিয়ায় অনেকেই এই বক্তব্য রাখছেন। যার অর্থ, বিপক্ষ আন্দোলনে নামার আগেই দিল্লি পুলিশ সক্রিয় হয়ে পদক্ষেপ নেবে। অনেকক্ষেত্রে তা কড়া হাতে দমনও হতে পারে। সেই ভাইরাল বক্তব্য নিজেই শেয়ার করলেন পাক ক্রিকেটার কানেরিয়া। তবে তাঁর বক্তব্যকে নেটিজেনদের অনেকে ভালো চোখে নিচ্ছেন না। পাক নাগরিক কেন ভারতের আন্দোলন নিয়ে কথা বলবেন? আসলে পাকিস্তানি হয়েও কানেরিয়া বরাবরই ‘ভারতপন্থী’। বহুবার তিনি অভিযোগ জানিয়েছিলেন, স্রেফ ধর্মের জন্য দলের মধ্যে কয়েকজন সতীর্থের কাছে ব্রাত্য ছিলেন। অনেকেই তাঁর সঙ্গে এক টেবিলে বসে খেতে চাইতেন না। এভাবে হেনস্তার শিকারও হতে হয়েছিল তাঁকে। এর আগে নিট নিয়ে জেন জি আন্দোলনেও বিজেপি’র পাশে দাঁড়িয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, ‘ভোটচুরি’র অভিযোগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে ‘আরশোলা’রা। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে যে, বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়া হয়নি। কিন্তু তা সত্ত্বেও এই যন্তর মন্তরে কর্মসূচি করছে ‘ককরোচ’রা। মধ্য দিল্লির বহু এলাকায় ‘ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা’র ১৬৩ ধারা বলবৎ রয়েছে। পুলিশ সতর্ক করে দিয়েছে, এই বিধিনিষেধ লঙ্ঘন করলে উপযুক্ত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শনিবারের বিক্ষোভে যাতে কোনওরকম সহিংসতার প্রকাশ না পায় তা নিশ্চিত করতেই এহেন সতর্কতা বলে সূত্রের দাবি। অন্তত ২৬ হাজার পুলিশ এবং আধাসেনা মোতায়েন করা হয়েছে শহরজুড়ে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে নয়াদিল্লি রেল স্টেশনে ট্রেন ঢোকা। বাতিল হয়েছে কলকাতা থেকে দিল্লিগামী জোড়া রাজধানী এক্সপ্রেস।

You might also like!