
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: বাড়িতে অগ্নিদগ্ধ হলেন সাগরদিঘির বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস। শনিবার ধূলিয়ানে তাঁর বাড়িতে আচমকাই আগুন লাগে। সেই সময় বাড়িতেই ছিলেন ঋতব্রতপন্থী এই বিধায়ক। আগুনে তিনি গুরুতর ভাবে দগ্ধ হন বলে জানা গিয়েছে। প্রাথমিক ভাবে বায়রনকে তাঁর নিজের বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, তাঁর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক।
বাড়িতেই অগ্নিদগ্ধ সাগরদিঘির বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস। শনিবার সামশেরগঞ্জের বাড়িতেই আগুন লেগে যায়। সেই সময় বাড়িতেই ছিলেন ঋতব্রতপন্থী বিধায়ক। গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ককে প্রথমে তাঁরই মালিকাধীন বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। বিধায়কের অবস্থা বেশ আশঙ্কাজনক বলেই খবর। এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিধায়কের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেবেন বলেই জানান তিনি।

উল্লেখ্য, বায়রন বিশ্বাস ২০২৩ সালে কংগ্রেসের ‘রুপোলি রেখা’ হিসাবে উঠে এসেছিলেন। সে বছর সুব্রত সাহার অকালপ্রয়াণের জন্য উপনির্বাচন হয় সাগরদিঘিতে। খানিক চমকপ্রদভাবে সেই উপনির্বাচনে শাসকদলের প্রার্থীকে হারিয়ে দেন কংগ্রেসের টিকিটে লড়া বায়রন। রাজ্যজুড়ে শাসকদল যখন দাপটের সর্বোচ্চ ধাপে, তখন বায়রনের সেই জয় শুধু যে ব্যতিক্রম ছিল তাই নয়, দ্বিমেরু রাজনীতিতে হতাশ বাম-কংগ্রেস সমর্থকদের জন্য বায়রন ছিলেন সোনালি রেখা, এক টুকরো আশার আলো। যদিও সেই আলো নিভতে বেশি সময় লাগেনি। বছর ঘোরার আগেই গোটা রাজ্যের বাম-কংগ্রেস সমর্থকদের হৃদয়ভঙ্গ করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে বায়রন যোগ দেন তৃণমূল। তখন থেকেই যেন সাগরদিঘিতে তিনি ‘গণশত্রু।’যদিও তা সত্ত্বেও তৃণমূলের ভরাডুবির মাঝে ছাব্বিশের ভোটে জয়ী হন বায়রন।
