Breaking News
 
Supreme Court Order: আদালতের খবর প্রকাশে বাধা নেই, তবে অডিও-ভিডিও ক্লিপে নিষেধাজ্ঞা, সংবাদমাধ্যমকে স্পষ্ট বার্তা সুপ্রিম কোর্টের Nadia Zilla Parishad: তৃণমূলের ‘বিবেক ভোটে’ বড় চমক! মাত্র ৬ সদস্য নিয়েই নদিয়া জেলা পরিষদ দখলে বিজেপি Panchayat tax fake news: পঞ্চায়েত কর ১২০০ টাকা? জল্পনায় জল ঢালল রাজ্য, ভুয়ো খবর নিয়ে সতর্কতা জারি Cockroach Janata Party: নিট আন্দোলনের পর এবার রাজনীতির ময়দানে? বড় ইঙ্গিত ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা দীপকের Adhir Ranjan Chowdhury: ‘চিকিৎসা কোথায় হবে, তা ব্যক্তির সিদ্ধান্ত’—অভিষেকের পাশে অধীর, ‘খোকাবাবু’ মন্তব্যে নতুন বিতর্ক Agnimitra Paul: প্রলোভন দেখিয়ে স্কুল পড়ুয়াদের রক্তদান! দুর্গাপুরে অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য, সরব অগ্নিমিত্রা পাল

 

Festival and celebrations

9 months ago

Halloween 2025: পশ্চিমের হ্যালোইন আসলে আমাদেরই ভূত চতুর্দশী? আত্মার আগমন নিয়ে কী বলছে ইতিহাস?

Halloween 2025,
Halloween 2025,

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: আমাদের দেশে কালীপূজার ঠিক আগের রাতে পালিত হয় ভূত চতুর্দশী। ঠিক তেমনই, প্রতি বছর ৩১ অক্টোবর পশ্চিমী দুনিয়ায় সবাই মেতে ওঠে হ্যালোইন (Halloween) উৎসব ঘিরে। দুটি উৎসবের মূল ভাবনা হলো মৃত আত্মাদের স্মরণ করা, যা তাদের মধ্যে এক গভীর যোগসূত্র তৈরি করে। স্কটিশ শব্দ 'অল হ্যালোজ' ইভ থেকে হ্যালোইন বা হ্যালোউইন শব্দটি এসেছে । এই শব্দের উৎপত্তি মোটামুটি ১৭৪৫ সালে। হ্যালোইন শব্দের অর্থ পবিত্র সন্ধ্যা।

হ্যালোইনের কথা বলতেই আমাদের চোখে ভেসে ওঠে কুমড়ো এবং ভুতুড়ে সাজগোজ। হ্যালোইনে কুমড়ো কেটে সেখানে নাক, চোখ, মুখ বানিয়ে ভৌতিক চেহারা তৈরি করার প্রথা প্রচলিত রয়েছে। তার পরে এর ভেতরে মোমবাতি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। অন্ধকার রাতে কুমড়ো ভেতরে মোমবাতি জ্বলায় তা আরও ভৌতিক দেখতে লাগে। ভৌতিক কস্টিউম পরে অনেকেই এদিন অন্যকে ভয় দেখিয়ে মজা করে।

খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের কাছে কেলটিক ক্যালেন্ডারে ৩১ অক্টোবর হলো বছরের শেষ দিন। এর পরের দিন থেকে নতুন বছর শুরু হয়। বছরের শেষ দিনে ভৌতিক সাজগোজ করলে প্রয়াত আত্মারা তুষ্ট হন বলে প্রচলিত বিশ্বাস। মনে করা হয়, এই রাতে মৃত আত্মারা কবর থেকে উঠে আসে এবং জীবিত ব্যক্তিদের নানা ভাবে বিপদে ফেলার চেষ্টা করে। হ্যালোইন পালন করলে খুশি হয়ে আবার তারা কবরে ফিরে যায়। হ্যালোইনে ভৌতিক কস্টিউম পরলে অশুভ আত্মা কাছে ঘেঁসতে পারে না বলেও মনে করা হয়। অশুভ আত্মাকে দূরে রাখতেই বাড়ির বাইরে এদিন কুমড়ো রাখার প্রথা রয়েছে। ছোট বাচ্চারা এই দিনে ‘ট্রিক অর ট্রিট’ খেলে থাকে। ভৌতিক কস্টিউম পরে বাড়ি বাড়ি ঘুরে বেল বাজিয়ে চকোলেট সংগ্রহ করে তারা।

মোটামুটি হাজার দুয়েক বছর আগে আয়ারল্যান্ড, ইংল্যান্ড ও উত্তর ফ্রান্সে বসবাসকারী কেল্টিক জনজাতি নভেম্বরের প্রথম দিনটি তাদের নববর্ষ হিসাবে পালন হতো। অক্টোবরের শেষ দিনটিকে তারা সবচেয়ে খারাপ রাত বলে মনে করত। তারা বিশ্বাস করত যে ৩১ অক্টোবর সমস্ত অতৃপ্ত আত্মা ফিরে আসে। এই রাতে নাকি উড়ন্ত ঝাড়ুতে করে ডাইনিরা উড়ে বেড়ায় আকাশ জুড়ে। আবার কখনও সবুজ রঙের খরখরে দেহের ডাইনি বুড়ি কোনও বাড়ির দরজায় এসে কড়া নাড়ে। এঁদের সঙ্গে মানুষের দেখা হলে সেই মানুষের ক্ষতি হতে পারে বলে প্রচলিত বিশ্বাস। সেই কারণে এই রাতটি বিভিন্ন রকম ভূতের মুখোশ ও কাপড় পরে কাটানোর প্রথা প্রচলিত হয়।

You might also like!