Breaking News
 
Firecracker | উৎসবের আনন্দে লাগাম নয়, নিরাপত্তায় জোর! ফানুস ও বাজি নিয়ে কড়া বার্তা প্রশাসনের CM Suvendu Adhikari: নতুন শিক্ষকদের রাজনীতি করা যাবে না, ইন্দ্রনীল-কাণ্ডে মমতাকে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর! গাইলেন ‘আমার যাওয়ার সময় হলো’ Indranil Sen: ইডির দফতরে ইন্দ্রনীল, সিজিও কমপ্লেক্সের বাইরে পুলিশ! গ্রেপ্তারির আশঙ্কায় জল্পনা তুঙ্গে Cabinet meeting at Nabanna: চোরবাগানের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতে তৎপর রাজ্য! কালীপুজোয় প্রতি জেলার দায়িত্বে একজন মন্ত্রী, নির্দেশ শুভেন্দুর Spain Train Crash: দ্রুতগতির দুই প্যাসেঞ্জার ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ মাদ্রিদে! ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃত অন্তত ৩৯ Jio IPO Listing Updates: শেয়ার বাজারে আত্মপ্রকাশেই বাজিমাত! ২১% প্রিমিয়ামে লিস্টিং, মূল্যায়নে দ্বিতীয় স্থানে

 

Kartik Puja 2025 Timings: পুজোর তারিখ নিয়ে চরম বিভ্রান্তি! কার্তিক পুজো ২০২৫-এর আসল দিন কোনটি? জেনে নিন সঠিক 'শুভ মুহূর্ত'

Kartik Puja 2025
Kartik Puja 2025

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  দুর্গাপুজো ও কালীপুজোর পরই বাঙালি মুখিয়ে থাকে যে পুজোটির জন্য, তা হলো কার্তিক পুজো। ২০২৫ সালে পুজোর মরসুম শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নভেম্বরের গোড়ায় অনুষ্ঠিত হতে চলেছে এই গুরুত্বপূর্ণ উৎসব।পঞ্জিকা মতে, প্রতি বছর কার্তিক পূর্ণিমা তিথিতে পালিত হয় এই পুজো। এই বছর, অর্থাৎ ২০২৫ সালে, কার্তিক পুজো বা কার্তিক পূর্ণিমা পালিত হবে ৫ নভেম্বর, বুধবার।হিন্দুধর্মে এই তিথিটি শুধু পবিত্রই নয়, এটি 'ত্রিপুরারী পূর্ণিমা' বা 'দেব দীপাবলি' নামেও পরিচিত, যা দেব-দেবীর আশীর্বাদ লাভের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কার্তিক পুজো ২০২৫ এর তারিখ, তিথি ও ক্ষণ:

তারিখ: ৫ নভেম্বর, ২০২৫ (বুধবার)

পূর্ণিমা তিথি শুরু: ৪ নভেম্বর, ২০২৫, রাত ১০টা ৩৬ মিনিট থেকে।

পূর্ণিমা তিথি শেষ: ৫ নভেম্বর, ২০২৫, সন্ধ্যা ৬টা ৪৮ মিনিট পর্যন্ত।

উদয়া তিথি অনুযায়ী ৫ নভেম্বর কার্তিক পূর্ণিমা পালিত হবে।

শুভ মুহূর্ত ও বিশেষ ক্ষণ:

গঙ্গাস্নানের শুভ সময় (ব্রহ্ম মুহূর্ত): ৫ নভেম্বর, ভোর ৪টে ৫২ মিনিট থেকে সকাল ৫টা ৪৪ মিনিট পর্যন্ত।

পূজার শুভ সময়: ৫ নভেম্বর, সকাল ৭টা ৫৮ মিনিট থেকে সকাল ৯টা ২০ মিনিট পর্যন্ত।

প্রদোষকালে দেব দীপাবলি মুহূর্ত: ৫ নভেম্বর, সন্ধ্যা ৫টা ১৫ মিনিট থেকে রাত ৭টা ৫ মিনিট পর্যন্ত।

চন্দ্রোদয়: ৫ নভেম্বর, সন্ধ্যা ৫টা ১১ মিনিটে।

কার্তিক পুজোর রীতিনীতি:

কার্তিক পূর্ণিমার দিনে পবিত্র নদীতে, বিশেষত গঙ্গায়, স্নান (কার্তিক স্নান) ও দীপদান করা অত্যন্ত পুণ্যের কাজ বলে মনে করা হয়। মনে করা হয় এই দিনে দেব-দেবীরা পৃথিবীতে নেমে আসেন এবং গঙ্গাস্নান করেন। এই দিন ভগবান শিব ত্রিপুরাসুরকে বধ করেছিলেন, তাই এটি মন্দের উপর শুভের বিজয়ের প্রতীক হিসেবেও পালিত হয়। এছাড়া, এই দিনটি শিখ ধর্মাবলম্বীদের কাছে গুরু নানক জয়ন্তী বা প্রকাশ পর্ব হিসেবে উদযাপিত হয়।

শেয়ার করুন:

You might also like!

    লোড হচ্ছে…