Breaking News
 
Supreme Court Order: আদালতের খবর প্রকাশে বাধা নেই, তবে অডিও-ভিডিও ক্লিপে নিষেধাজ্ঞা, সংবাদমাধ্যমকে স্পষ্ট বার্তা সুপ্রিম কোর্টের Nadia Zilla Parishad: তৃণমূলের ‘বিবেক ভোটে’ বড় চমক! মাত্র ৬ সদস্য নিয়েই নদিয়া জেলা পরিষদ দখলে বিজেপি Panchayat tax fake news: পঞ্চায়েত কর ১২০০ টাকা? জল্পনায় জল ঢালল রাজ্য, ভুয়ো খবর নিয়ে সতর্কতা জারি Cockroach Janata Party: নিট আন্দোলনের পর এবার রাজনীতির ময়দানে? বড় ইঙ্গিত ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা দীপকের Adhir Ranjan Chowdhury: ‘চিকিৎসা কোথায় হবে, তা ব্যক্তির সিদ্ধান্ত’—অভিষেকের পাশে অধীর, ‘খোকাবাবু’ মন্তব্যে নতুন বিতর্ক Agnimitra Paul: প্রলোভন দেখিয়ে স্কুল পড়ুয়াদের রক্তদান! দুর্গাপুরে অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য, সরব অগ্নিমিত্রা পাল

 

Festival and celebrations

11 months ago

Durga Puja 2025:ভিনরাজ্যে কাজের বরাত মিললেও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন অশোকনগরের ঢাকিরা

insecurity of migrant workers
insecurity of migrant workers

 

দুরন্তবার্তা ডিজিটাল ডেস্ক :বাংলা ভাষা শুনলেই বাংলাদেশি ভেবে সন্দেহ! ভিনরাজ্যে পরিযায়ী বাঙালি শ্রমিকদের উপর চূড়ান্ত হেনস্তার অভিযোগ ঘিরে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। এমন পরিস্থিতিতেই সামনে এসেছে দুর্গাপুজো। ঢাক বাজানোর বরাত মিললেও অশোকনগরের ঢাকিদের বুক কাঁপছে বাইরে যাওয়ার নাম শুনলেই। উপার্জনের আশায় ভিনরাজ্যে পা বাড়িয়ে বিপদে পড়তে হবে না তো—এই আতঙ্কই ঘুরপাক খাচ্ছে তাঁদের মনে।

অশোকনগর কয়াডাঙার নাট্যপাড়ার ঢাকি দলে সদস্য সংখ্যা কমবেশি ৭০। ওই মহিলাদের মধ্যে কেউ কেউ অশোকনগরের বাসিন্দা। কারও বা বাস মছলন্দপুর, আটঘড়া, কুমড়া-কাশিপুর এলাকায়। এঁদের সকলের বিকল্প পেশা ঢাক বাজানো। বছরের বাকি সময়টা কেউ বিড়ি বাঁধেন, কেউ সেলাইয়ের কাজ করেন, কেউবা পাট ঝারাইয়ের কাজ করেন। তাতে আয় সামান্য। সারাবছর খেয়েপরে বাঁচাই যেন দায়। একটু বেশি উপার্জন হলে সংসারের বাকি লোকগুলোর মুখে হাসি ফুটবে। পরিবারের খুদে সদস্যরা পাবে নতুন জামা, জুতো। তাই তো পুজোর সময় ঢাক নিয়ে তাঁরা বেরিয়ে পড়েন। পাড়ি জমান ভিনরাজ্যে। শরতের নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা দেখলেই জোরকদমে শুরু হয় ঢাক বাজানোর অনুশীলন। এবারও অনুশীলনে কোনও ছেদ নেই। দক্ষিণ দিল্লি, মুম্বইয়ের ভিটি, অসম থেকে ঢাক বাজানোর বায়না পেয়েছেন। আয়ও ভালোই হওয়ার কথা। বাধা শুধু ভিনরাজ্যে বাঙালি ‘হেনস্তা’র আতঙ্ক।

পরিযায়ীদের ‘দুর্দশা’র কথা যত শুনছেন, তাঁরা যেন ততই আঁতকে উঠছেন। ঢাকিদের আশঙ্কা, ভিনরাজ্যে ঢাক বাজাতে গিয়ে বাংলা ভাষায় কথা বললে তাঁদেরও হয়তো হেনস্তার শিকার হতে হবে। ভিনরাজ্যে যাওয়ার আগে বারবার পুজো কমিটির সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন ঢাকিরা। পুজো কমিটির সদস্যরা আশ্বস্ত করছেন ঠিকই, তবে হেনস্তার আশঙ্কা কাটছে কই? এক ঢাকি দলের পরিচালক বলেন, “ভিনরাজ্যে যেভাবে বাঙালিদের উপর অত্যাচারের খবর শুনছি, তাতে আমরা আতঙ্কিত। আমি দুশ্চিন্তাতেই আছি। বায়না নিলেও পরিস্থিতির উপর নজর রাখছি।” অন্য ঢাকিরা জানালেন, “অভাবের সংসারে ঢাক বাজিয়ে উপরি উপার্জনের জন্য পুজোর দিকে তাকিয়ে থাকি। রোজগার ভালোই হয়। কিন্তু ভিনরাজ্যে যেভাবে অত্যাচারের খবর পাচ্ছি, তাতে আমাদেরও যেতে ভয় লাগছে।” অনুশীলনে ঢাকে বোল তুলছেন ঠিকই। তবে শেষমেশ ভিনরাজ্যে যাওয়া হয় কিনা, তা নিয়ে মনের ভিতর উথালপাথাল ঢাকিদের।

You might also like!