
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ পঞ্চমীতে মা এলেন সুদীপার গৃহে। এদিন লাল পেড়ে শাড়িতে সেজেছিলেন সুদীপা। মায়ের সামনে দুই সন্তান নিয়ে তুললেন ছবি। ছেলে আদিদেবের মতোই ঠাকুর দেখতে এসেছিলেন তাঁদের প্রিয় পোষ্যও। সুদীপার শেয়ার করা ছবিগুলিতে দেখা মিলল তাঁর আত্মীয়-বন্ধুদেরও।
এই বাড়ির পুজোর বয়স ১৫০ বছরের বেশি। যদিও আগে তা হত ঢাকার বিক্রমপুরে, আদি বাড়িতে। সুদীপার বাড়িতে গত ৯ বছর ধরে পুজোয় আয়োজন হচ্ছে। পুজোর পাঁচ দিন এই বাড়িতে আনাগোনা থাকে টলিউডের বহু তারকার। সুদীপার বাড়ির মায়ের ভোগও কিন্তু বেশ ইউনিক।
ঠাকুর সাজানো হয় সোনার গয়নায়। অস্ত্র থাকে রুপোর। দুর্গার এক হাতে ত্রিশূল থাকলে আরেক হাতে থাকে পদ্ম। দুর্গার ভোগেও থাকে নানান বাহার। একেক দিন একেক রকম চাল দিয়ে ভোগ দেওয়া হয়। চাল আসে বাংলাদেশ থেকেও। অষ্টমীর সন্ধিপুজোর পর থেকে ভোগ দেওয়া হয় মাংস আর মাছের। নবমীতে মা-কে দেওয়া হয় পদ্মার ইলিশ আর দশমীর দিন গঙ্গার ইলিশ খেয়ে মা বিদায় নেন চট্টোপাধ্যায় বাড়ি থেকে।
