Entertainment

1 hour ago

Sanjay Dutt: মারাঠি বলতে ‘অক্ষম’ সঞ্জয়! মন্ত্রীর অনুরোধে সাফ জবাব, “ছ’বছর জেলেও শিখতে পারিনি”

Actor Sanjay Dutt with Mahrashtra Transport Minister Pratap Sarnaik
Actor Sanjay Dutt with Mahrashtra Transport Minister Pratap Sarnaik

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা হলে মারাঠি জানা আবশ্যক—বিশেষ করে বাণিজ্যিক গাড়িচালকদের ক্ষেত্রে মারাঠি ভাষাজ্ঞান বাধ্যতামূলক করেছে রাজ্য পরিবহণ দফতর। ভাষা নিয়ে যখন এমন কড়া নিয়ম, তখন পরিবহণমন্ত্রী প্রতাপ সরনাইকের অনুরোধেও মারাঠিতে কথা বললেন না অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত। বরং অকপটে জানালেন, দীর্ঘ ছ’বছর কারাগারে থাকলেও মারাঠি ভাষা ঠিকমতো রপ্ত করা তাঁর হয়ে ওঠেনি। সঞ্জয়ের দাবি, জেলে থাকাকালীন মারাঠি ভাষা সম্পর্কে সামান্য জ্ঞান অর্জন করেছিলেন ঠিকই, কিন্তু তা দিয়ে এই মুহূর্তে সাবলীল ভাবে মারাঠিতে কথা বলা সম্ভব নয়। তাঁর এই বক্তব্য ও আচরণ নিয়েই শুরু হয়েছে বিতর্ক। নেটদুনিয়ার একাংশ অভিনেতার সমালোচনায় সরব হলেও অন্য একাংশের প্রশ্ন, সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে যেখানে ভাষাজ্ঞান নিয়ে এত কড়াকড়ি, সেখানে তারকারা কি আলাদা সুবিধা পান? ফলে সঞ্জয় দত্তের ঘটনাকে ঘিরে ফের সামনে এসেছে ভাষা, নিয়ম এবং তারকা-সুবিধার সেই পুরনো বৈপরীত্য। 

রবিবার মুম্বইয়ের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন সঞ্জয় দত্ত। সেখানেই মহারাষ্ট্রের পরিবহণমন্ত্রী প্রতাপ সরনাইকের সঙ্গে মঞ্চে ছিলেন ‘মুন্নাভাই’। অনুষ্ঠান চলাকালীন এক পর্যায়ে অভিনেতাকে মারাঠিতে কথা বলার অনুরোধ করেন। কিন্তু, স্বভাবসুলভ রসিকতায় নিজের অক্ষমতাকে আড়াল করলেন ‘খলনায়ক’ সঞ্জয় দত্ত। প্রতাপ সরনাইক বলেন, “আজকাল আমি সবাইকে মারাঠি শেখাচ্ছি। তাই ভাবলাম উনি যেহেতু এখানে এসেছেন এবার সঞ্জয় দত্তকেও মারাঠিতে কথা বলতে বলি।” এরপর মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে সঞ্জয় দত্ত বলেন, “প্রতাপ ভাই, আমি ছয় বছর জেলে ছিলাম। তখনও মারাঠি শিখতে পারিনি। একটু শিখেছিলাম।” প্রতাপ সরনাইকের কাঁধে হাত রেখে পুরনো বন্ধু ও ভাই বলে সম্বোধন করে সঞ্জয়ের সংযোজন, “প্রতাপ ভাই আমাকে এখানে ডেকেছেন তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। আমাদের সম্পর্ক অনেক পুরনো। প্রায় ২৫ বছর হয়ে গেল।” সঞ্জয় দত্তের এই অকপট মন্তব্যের পর সোশাল মিডিয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া। অনেকেই পরিস্থিতি সামলানোর জন্য তাঁর রসবোধের প্রশংসা করেছেন। 

একজন মজা করে লিখেছেন, ‘এভাবে কোনও মন্ত্রীর কথার জবাব দিয়ে হাসিমুখে পরিস্থিতি সামলাতে পারেন একমাত্র সঞ্জয় দত্ত বা সলমান খান।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘দারুণ স্টাইলে বিষয়টা এড়িয়ে গেলেন।’ তবে সঞ্জয় দত্তের এই মন্তব্যে বিরোধিতাও করেছেন নেটিজেনরা। তাঁদের বক্তব্য, মহারাষ্ট্রে সারাজীবন বসবাস করার পরও তিনি মারাঠি বলতে পারেন না, এটি অত্যন্ত হতাশাজনক। অনেকেই এই ঘটনার মধ্যে অটোরিক্সা চালকদের জন্য প্রযোজ্য নিয়মটির সঙ্গে একটি বড় বৈপরীত্য দেখতে পেয়েছেন। এক নেটাগরিকের আপসোস, ‘ইশ, অটোরিক্সা চালকরাও যদি এমন কথা বলে জরিমানা এড়াতে পারতেন।’


You might also like!