
রাঁচি, ২ মার্চ: এক বন্ধুকে নিয়ে ঝাড়খণ্ডে বেড়াতে এসেছিলেন স্পেনীয় মহিলা। মারধর করে বন্ধুর সামনে থেকেই তাঁকে তুলে নিয়ে গিয়ে ৭-৮ মিলে গণধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। ঝাড়খণ্ডের দুমকার এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। দুমকার পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, "এক স্প্যানিশ মহিলা অভিযোগ করেছেন, শুক্রবার রাতে তাঁকে হাঁসডিহা থানা এলাকায় গণধর্ষণ করা হয়। ওই মহিলার ডাক্তারি পরীক্ষা-সহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে পুলিশ। ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত চলছে।"
পুলিশ সূত্রে খবর, দিন কয়েক আগে স্পেন থেকে ভারতে এসেছিলেন ওই স্পেনীয় মহিলা এবং তাঁর বন্ধু। ওই দুই পর্যটক ঝাড়খণ্ডে এসেছিলেন বৃহস্পতিবার। শুক্রবার দু’জনে মিলে দু’টি বাইক নিয়ে দুমকার বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে বেরিয়েছিলেন। সারাদিন ঘোরাঘুরির পর হাঁসডিহা থানার কুরমাহাট এলাকায় রাস্তার ধারে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। রাত তখন ১০টা। স্পেনীয় মহিলার বন্ধু দাবি, তাঁরা দু’জনে যখন রাস্তার ধারে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন, সেই সময় ৭-৮ যুবক আসেন। অভিযোগ, ওই যুবকেরা তাঁদের দু’জনকে মারধর করতে শুরু করে। তার পর তাঁর সঙ্গীকে জোর করে তুলে নিয়ে যায়। বাধা দিতে গেলে তাঁকে রাস্তায় ফেলে মারধর করা হয়। মহিলাকে একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ।
দুমকার এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেছে বিজেপি। বিজেপি বিধায়ক অনন্ত ওঝা বলেছেন, "এটি রাজ্যের উপর একটি দাগ। রাজ্যের অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বুঝিয়ে দিচ্ছে যে এমনকি বিদেশীরাও এখানে নিরাপদ নয়। পুলিশের শীঘ্রই ব্যবস্থা নেওয়া উচিত এবং সরকারেরও এটি বিবেচনা করা উচিত এবং ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এই ধরনের নৈরাজ্যবাদীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এই সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।" ঝাড়খণ্ডের মন্ত্রী বান্না গুপ্তা বলেছেন, "আমি এই ঘটনার সমস্ত প্রকৃত সত্যতা জানি না, তবে সরকার সেই সমস্ত অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।"
