
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ সকালে খালিপেটে না থেকে পড়ুয়ারা ভরপেটে ক্লাস করুক , এই ভাবনাচিন্তা নিয়ে স্কুলে স্কুলে মিড ডে মিলের সঙ্গে ব্রেকফাস্ট চালুর কথা প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল ২০২১।এই সিদ্ধান্ত নিয়ে তখন কেউই তেমন আগ্রহ প্রকাশ করেনি। সূত্রের খবর, ফের একবার বিষয়টি উত্থাপিত হয়েছে। ২০২১ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রের অর্থনীতি বিষয়ক ক্যাবিনেট কমিটি প্রধানমন্ত্রী পোষণ শক্তি নির্মাণ নামে একটি রান্নার প্রকল্পকে অনুমোদন দেয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভাপতিত্বে ওই বৈঠকে ঠিক হয়, আগামী পাঁচ বছরের জন্য ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষ পর্যন্ত সরকারি এবং সরকার অনুমোদিত স্কুলে চালু থাকবে PM Poshan Scheme। এই প্রকল্পের মধ্যেই মিড ডে মিলকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। মিড ডে মিলের পাশাপাশি পড়ুয়াদের সকালে ব্রেকফাস্ট দেওয়ারও ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছিল। তবে সে উদ্যোগ ধামাচাপা পড়ে গিয়েছিল। দুই বছর পর ফের সেই বিষয়টি উত্থাপিত হয়েছে।
PM Poshan স্কিমের আওতায় সরকারি স্কুল, সরকারি সাহায্য প্রাপ্ত অঙ্গনওয়াড়ি ও মাদ্রাসায় পাঠরত সব পড়ুয়াদের স্কুলের দিনগুলিতে মধ্যাহ্নভোজ দেওয়া হয়। ১৯৯৫ সালে প্রথম মিড ডে মিল প্রকল্প চালু হয়েছিল। এই প্রকল্প চালুর মূল উদ্দেশ্য গরিব পরিবার থেকে আসা সরকারি পাঠরত শিশুদের মুখে অন্তত দিনে একবার অন্ন তুলে দেওয়া। ২০২১ সালে সেই প্রকল্পের মোড়কেই পিএম পোষণ অভিযান ঘোষণা করে মোদী সরকার। শিশুদের পুষ্টির উপর বেশি নজর দেওয়া হয় সেবার।
২০২০ সালে কেন্দ্র নয়া শিক্ষানীতিতে ঘোষণা করা হয় সকালে পুষ্টিকর জলখাবার (ব্রেকফাস্ট) খেলে তা পড়ুয়াদের পক্ষে ফলদায়ক হবে। সেজন্য মিড ডে মিলের পাশাপাশি সকালে হালকা ও এনার্জিদায়ক খাবার দেওয়া যেতে পারে বলে জানিয়েছিল কেন্দ্র।শিক্ষা মন্ত্রকের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, এই প্রস্তাবটি যদি সকলে সমর্থন করে তা অনুমোদিত হয় তবে কমপক্ষে ৪০০০ কোটি টাকা অতিরিক্ত বার্ষিক বরাদ্দের প্রয়োজন হবে। এক সরকারি আধিকারিক জানিয়েছেন, স্কুলে স্কুলে মিড ডে মিলের সঙ্গে বাচ্চাদের প্রাতঃরাশ দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে সাম্প্রিতক সময়ে আলোচিত হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে কত টাকা বরাদ্দের প্রয়োজন সেসব নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে নতুন করে কোনও প্রস্তাব এখনও পর্যন্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়নি বলে জানিয়েছে তিনি।
