
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ কথিত রয়েছে, রাবণের লঙ্গা থেকে সীতাকে ফিরিয়ে আনার জন্য রামেশ্বর থেকে লঙ্কা পৌঁছতে বানর সেনারা তৈরি করেছিল একটি পাথরের সেতু। প্রতিটি পাথরে শ্রী রামের নাম খোদাই করা হয়েছিল। সেই কারণেই পাথরগুলি ভাসতে থাকে জলে। তবে ধর্মগ্রন্থে উল্লেখিত এ কাহিনি নিয়ে কিন্তু অনেক তর্ক-বিতর্ক রয়েছে। কেউ মানতে চান, কেউ আবার নেহাতই একে কল্পনা বলে উড়িয়ে দেন।
তবে এবার বাস্তবে অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখালেন এক ভাস্কর। তাঁর নাম দীপক বিশ্বকর্মা। একটি পাথরের নৌকায় বসে রয়েছেন রাম-লক্ষণ-সীতা। দাঁড় টানছেন মাঝি। পাথরের একটি ভাস্কর্যটি জলে রেখে দিলে দিব্য ভাসছে সেটি।কয়েক বছর আগে গোয়ালিয়রে এই বিশেষ এই শিল্প নমুনা তৈরি করেছিলেন দীপক। এদিকে অযোধ্য়ায় রাম মন্দিরের উদ্বোধনের দিনও এগিয়ে আসছে। ২২ জানুয়ারি রাম মন্দিরের উদ্বোধন। উদ্বোধনের আগে পাথরের তৈরি ভাসমান নৌকা নিয়ে শুরু আলোচনা। এই বিশেষ শিল্প নিদর্শনটি কী জায়গা পাবে রাম মন্দিরে?
গোয়ালিয়রের বিখ্যাত ভাস্কর দীপক বিশ্বকর্মার হাতে তৈরি রাম-লক্ষণ-সীতার এই নৌকার ওজন মোটামুটি সাড়ে চার কিলো। পুরোটাই তৈরি করেছেন পাথর খোদাই করে। রামলালার মন্দিরে তাঁর তৈরি এই শিল্প নিদর্শনটিতে স্থান দেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন দীপক, যাতে সেখানে আগত ভক্তরা রাম, সীতা, লক্ষ্মণ অধিষ্ঠিত পাথরের নৌকাটিকে জলে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পারেন।
এই ভাস্কর্য্য টি সম্পর্কে শিল্পী বলেন- নৌকায় চেপে প্রথমবার বনবাসে গিয়েছিলেন ভগবান রামচন্দ্র। এই শিল্প নিদর্শনের মাধ্যমে সেই সংকটকালকেই ফুটিয়ে তোলার সামান্য চেষ্টা করা হয়েছে, জানাচ্ছেন দীপক। এটি কি জলে ভাসতে পারে? পারলেও কী ভাবে পারে? আসল রহস্য অবশ্য উন্মোচন করেননি তিনি। বললেন, '৪৫ কেজি ওজনের পাথর কেটে সাড়ে চার কেজি ওজনের এই নৌকাটি নির্মিত হয়েছে। ভগবানের ইচ্ছা হলে এটি জলেও ভাসতে পারবে।'
