
নয়াদিল্লি, ১৭ ডিসেম্বর : সংসদের হামলার ঘটনায় ললিত ঝাঁ-সহ সকল অভিযুক্তদের মোবাইল ফোন উদ্ধার। রবিবার রাজস্থান থেকে অভিযুক্তদের ফোনের সকল যন্ত্রাংশ উদ্ধার করেছে দিল্লি পুলিশ। তবে, সবকটি ফোনই সম্পূর্ণ পোড়া অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। পুলিশ অবশ্য মনে করছে, সেগুলি থেকে এই মামলার সঙ্গে জড়িত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদ্ধার করা যেতে পারে।
ললিতই মোবাইলগুলি পুড়িয়ে নষ্ট করেছেন বলে দাবি। গত বুধবার এই ঘটনা ঘটেছিল। ওই দিন বাকি অভিযুক্তদের সঙ্গেই সংসদ চত্বরে হাজির হয়েছিলেন ললিত ঝাঁ। তাঁকেই এই ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী বলে মনে করা হচ্ছে। হামলার আগে, তিনি সকল অভিযুক্তর মোবাইল ফোন নিয়ে নিয়েছিলেন। হামলার পর, তিনি সেগুলি নিয়ে বাসে করে দিল্লি থেকে রাজস্থানে পালিয়েছিলেন। সেখানে গিয়ে ভগৎ সিং ফ্যান ক্লাব ফেসবুক পেজের এক বন্ধুর সঙ্গে ফোনে কথাও বলেছিলেন ললিত। তারপরই, প্রমাণ লোপাটের জন্য নিজের-সহ সকল অভিযুক্তর ফোন পুড়িয়ে দিয়েছিল ললিত, এমনটাই দাবি দিল্লি পুলিশের। এদিন সেই পোড়া যন্ত্রাংশগুলিই উদ্ধার করল দিল্লি পুলিশের একটি দল।
উল্লেখযোগ্য হল, শনিবার দিল্লি পুলিশ রাজস্থানের নাগৌর থেকে মহেশ কুমাওয়াত নামে একজনকে গ্রেফতারের পরদিনই পোড়া মোবাইলগুলি উদ্ধার হল। পুলিশেরই একাংশের আবার সন্দেহ মহেশের সঙ্গে গত দুবছর ধরে অভিযুক্তদের যোগাযোগ ছিল এবং সাক্ষ্যপ্রমাণ লোপাট করতে মোবাইল পোড়ানোয় সাহায্য করেছিলেন। বিশেষ বিচারক হরদীপ কৌর ৩২ বছরের মহেশকে পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিলেন।
তদন্তে জানা গিয়েছে, ললিত ঝা প্রথমে চার অভিযুক্তের মোবাইল পুড়িয়েছিলেন। দিল্লিতে আসার আগে নিজের ফোনটাও পুড়িয়ে দেন। সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ললিত ধারাবাহিকভাবে পুলিশকে বিভ্রান্ত করতে নানারকম কথা বলছেন।তদন্তকারী দল মোবাইল কোম্পানি এবং সার্ভিস প্রোভাইডারদের কাছে চিঠি দিয়ে অভিযুক্তদের তথ্য দিতে বলেছে। অভিযুক্তরা পুলিশকে জানিয়েছেন, গায়ে অগ্নিনির্বাপক জেল মেখে আত্মহত্যার নাটক করার পরিকল্পনা ছিল প্রথমে। যাতে বিষয়টি আরও নাটকীয় হয়ে ওঠে। কিন্তু, পরে
