Country

3 years ago

Bihar: 'মনুস্মৃতি' পুড়িয়ে প্রতিবাদ জানালেন বিহারের এক শিক্ষিত মহিলা

bihar
bihar

 

 দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ   'মনুস্মৃতি' বৈদিক হিন্দু ধর্মের একটি নীতি নির্ধারক ও সামাজিক জীবিকা নির্ধারক গ্রন্থ। এখানে সুন্দর জীবন যাপনের কিছু উপদেশ দেওয়া হয়েছে। একটি ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ২৭ বছর বয়সী প্রিয়া দাস নামে ওই মহিলা যিনি রাষ্ট্রীয় জনতা দলের (RJD) মহিলা সেলের রাজ্য সম্পাদক তিনি ওই বই পুড়িয়ে সেই আগুন দিয়ে সিগারেট ধরাচ্ছেন। প্রিয় দাস মাস্টার ডিগ্রি ও পিএইচডি ডিগ্রি প্রাপ্ত একজন শিক্ষিকা। 

কেন তিনি মনুস্মৃতি পোড়ালেন? প্রিয়া দাস বলেছিলেন যে এই বই অনুসারে, যদি কোনও মহিলা মদ্যপান করেন তাহলে তাঁকে বিভিন্নভাবে শাস্তি দেওয়া যেতে পারে। তবে তাকে শাস্তি দেওয়ার আগে তার জাত নিশ্চিত করতে হবে। প্রিয়ার প্রতিবাদ এই লিঙ্ক বৈষম্যের বিরুদ্ধে।


  তিনি জানিয়েছেন, ‘আমি আমিষ জাতীয় খাবার খাই না এবং আমি ধূমপানও করি না’। তিনি আরও বলেন, ভিডিয়োতে তার কাজগুলি শুধুমাত্র এই বইয়ের বিরুদ্ধে তার প্রতিবাদ জানানোর জন্য করা হয়েছিল। দলিত অধিকার কর্মী প্রিয়া দাসকে ভিডিওতে বলতে শোনা যায়, ‘মনুস্মৃতি পোড়ানো একটি কাজ - একটি সাময়িক ঘটনা। বাবাসাহেব আম্বেদকর অনেক আগেই এর পোড়ানোর ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। মনুস্মৃতি পোড়ানোর উদ্দেশ্য কোনও একজনের প্রতি নয়। এটা ভন্ডামীর ধারণাকে আক্রমণ করার জন্য ছিল। এটাই ছিল আমার লক্ষ্য’। যদিও নাগরিক মহল বলছে, মনুস্মৃতি বা যে কোনো হিন্দু ধর্মের গ্রন্থ কোনো তালিবানি নির্দেশনামা নয়। যদি পছন্দ না হয় তাহলে এই নির্দেশ মানতে হবে এমন কোনো বিধান নেই। তাই 'মনুস্মৃতি' পোড়ানোর কোনো প্রয়োজন ছিল না।


  এই বই সম্পর্কে একরাশ ক্ষোভ উগ্রে দেয় প্রিয়া। তিনি বলেন, মনুস্মৃতিতে মানুষ ও নারী সম্পর্কে লেখা বেশ কিছু বিষয় যথাযথ নয়। তিনি বলেন, ‘এই বইয়ের প্রতিটি পাতা পুড়িয়ে দেওয়া উচিত’। তিনি বলেন, মনুস্মৃতি সমাজে বিরাজমান সমস্ত কুফলের মূল, দলিতদের এগিয়ে আসা উচিত এবং বইটির বিরোধিতা করা উচিত। তিনি বলেন, ‘মনুস্মৃতিতে নারীদের জন্য অনেক কিছু নির্ধারণ করা হয়েছে, তারা কী করতে পারে আর কী পারে না। সিগারেট খেয়ে আমি এর প্রতিবাদ করেছি’। যদিও এই প্রতিবাদকে সমাজ খুব গুরুত্বের চোখে দেখছে না।

You might also like!