Breaking News
 
Supreme Court Order: আদালতের খবর প্রকাশে বাধা নেই, তবে অডিও-ভিডিও ক্লিপে নিষেধাজ্ঞা, সংবাদমাধ্যমকে স্পষ্ট বার্তা সুপ্রিম কোর্টের Nadia Zilla Parishad: তৃণমূলের ‘বিবেক ভোটে’ বড় চমক! মাত্র ৬ সদস্য নিয়েই নদিয়া জেলা পরিষদ দখলে বিজেপি Panchayat tax fake news: পঞ্চায়েত কর ১২০০ টাকা? জল্পনায় জল ঢালল রাজ্য, ভুয়ো খবর নিয়ে সতর্কতা জারি Cockroach Janata Party: নিট আন্দোলনের পর এবার রাজনীতির ময়দানে? বড় ইঙ্গিত ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা দীপকের Adhir Ranjan Chowdhury: ‘চিকিৎসা কোথায় হবে, তা ব্যক্তির সিদ্ধান্ত’—অভিষেকের পাশে অধীর, ‘খোকাবাবু’ মন্তব্যে নতুন বিতর্ক Agnimitra Paul: প্রলোভন দেখিয়ে স্কুল পড়ুয়াদের রক্তদান! দুর্গাপুরে অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য, সরব অগ্নিমিত্রা পাল

 

West Bengal

2 years ago

Fact Finding Team: তথ্যানুসন্ধানী টিমের সদস্যদের গ্রেফতার করল পুলিশ, ক্ষোভ পুলিশ ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে

Fact Finding Team (File Picture)
Fact Finding Team (File Picture)

 

সন্দেশখালি, ২৫ ফেব্রুয়ারি: সন্দেশখালি যাওয়ার পথে এবার তথ্যানুসন্ধানী টিমকেও আটকে দিল পুলিশ, পরে গ্রেফতারও করল। রবিবার সকালে সন্দেশখালি যাচ্ছিলেন তথ্যানুসন্ধানী টিমের সদস্যরা। মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে সন্দেশখালিতে যাচ্ছিলেন তাঁরা। দলে আছেন পাটনা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি থেকে শুরু করে প্রাক্তন আইপিএস অফিসার, আইনজীবী-সহ ৬ সদস্য। কলকাতা থেকে রওনা হওয়ার সময়ই সন্দেশখালিতে ১৪৪ ধারার নোটিস ধরায় পুলিশ। যদিও ফ্যাক্টি ফাইন্ডিং টিমের দাবি, যেখানে ১৪৪ ধারা জারি, সেখানে তাঁরা যাবেন না। কিন্তু, ভোজেরহাটে তাঁদের আটকে দেওয়া হয়। পুলিশ ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন তথ্যানুসন্ধানী দলের সদস্যরা। পরে তাঁদের গ্রেফতার করে পুলিশ। কলকাতা পুলিশের ভাঙড় ডিভিশনের ডেপুটি কমিশনার সৈকত ঘোষ বলেছেন, "আমরা তাঁদের এই স্থান অতিক্রম না হওয়ার জন্য অনুরোধ করছিলাম, কিন্তু তাঁরা বেআইনিভাবে পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করছিল। সুতরাং, তাঁদের প্রতিরোধমূলক ধারায় গ্রেফতার করতে হয়েছে। 'শান্তির লঙ্ঘনের' অভিযোগ থাকলে পুলিশ প্রতিরোধমূলক ধারায় গ্রেফতার করতে পারে।"

তথ্যানুসন্ধানী কমিটির সদস্য ও পি ব্যাস এদিন বলেছেন, "আমরা এখানে বাধ্য হয়েই আছি, কারণ তাঁরা (পুলিশ) আমাদের বেআইনিভাবে থামিয়েছে যা আমাদের অধিকারের বিরুদ্ধে। আমরা এটি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যপাল, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-র কাছে অভিযোগ করব। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর কাছেও। রাম নবমীর সময়, তারা একই কাজ করেছিল এবং আমাদের থামিয়েছিল, কারণ তারা কিছু লুকিয়েছিল... আমি বুঝতে পারছি না এই রাজ্য সরকার বিশ্বের সামনে কী ধরনের ছবি তুলে ধরতে চায়... সাংবিধানিক কাঠামো ভেঙে পড়েছে রাজ্যে। দুর্ভাগ্যবশত, পুলিশ বেআইনি নির্দেশ পালন করছে এবং আইন হাতে তুলে নিচ্ছে। আমরা সন্দেশখালির আক্রান্তদের সাথে দেখা করতে চাই।"

তথ্যানুসন্ধানী টিমের অপর এক সদস্য চারু ওয়ালি খান্না বলেছেন, "পুলিশের জবাব দেওয়া উচিত কেন তারা আমাদের আটকে রাখার চেষ্টা করছে?... যেভাবে নারীদের ওপর নৃশংসতা করা হয়েছে, আমি ভাবছি পুলিশ কী করত? আমাদের থামানোর কোনও কারণ উল্লেখ না করে, তারা শুধু তাই করছে যা করতে বলা হয়েছে।" ফ্যাক্ট-ফান্ডিং টিমের সদস্য নরসিমহা রেড্ডি বলেছেন, "আমরা এখানে বসেছিলাম, কিন্তু মনে হচ্ছে তাদের এতেও সমস্যা আছে। এখন আমরা রাজ্যপালের কাছে সময় চাইব এবং তাঁকে পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করব। পরে আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সঙ্গে দিল্লিতে এই বিষয়ে কথা বলব।"

You might also like!