Breaking News
 
CM Suvendu Adhikari: বাম-তৃণমূলকে একসঙ্গে নিশানা, ‘অমৃতকালের’ বাংলায় বিনিয়োগের ডাক শুভেন্দুর CM Suvendu Adhikari: এলিয়ট পার্কের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে দিল পুরসভা, খুশি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু Cockroach Janata Party: ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভে নাবালিকা! অভিজিৎ-সৌরভদের বিরুদ্ধে পকসো আইনে অভিযোগের আর্জি Sharadwat Mukherjee: প্রসূতি ওয়ার্ডে ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার, রক্ত পাচার রুখতেও কড়া নজরদারি—কঠোর অবস্থান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর Supreme Court Order: আদালতের খবর প্রকাশে বাধা নেই, তবে অডিও-ভিডিও ক্লিপে নিষেধাজ্ঞা, সংবাদমাধ্যমকে স্পষ্ট বার্তা সুপ্রিম কোর্টের Nadia Zilla Parishad: তৃণমূলের ‘বিবেক ভোটে’ বড় চমক! মাত্র ৬ সদস্য নিয়েই নদিয়া জেলা পরিষদ দখলে বিজেপি

 

West Bengal

2 years ago

Food Safety Lab: খাদ্য সুরক্ষায় রাজ্যের এই জেলায় চালু হচ্ছে রাজ্য ফুড সেফটি ল্যাব!

Food Safety Lab (File Picture)
Food Safety Lab (File Picture)

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ খাবারে ভেজাল মেশানো নেই তো? এমন চিন্তা মাথায় আসলে এখন থেকে আর পারি দিতে হবে না কলকাতায়। এবার থেকে সেই সুযোগ মিলবে পশ্চিম বর্ধমান জেলাতেও। সেখানে চালু হচ্ছে ফুড সেফটি ল্যাব। এছাড়াও জেলায় খাদ্য নিরাপত্তা সেল গঠনের প্রক্রিয়াও। ইতিমধ্যে পশ্চিম বর্ধমানে ফুড সেফটি অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে এক জনকে।

আপাতত আসানসোল জেলা হাসপাতালে বসতে বলা হয়েছে সুকৃতি মুখোপাধ্যায় নামে ওই আধিকারিককে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে তিনি ট্রেনিংয়ে রয়েছেন। পশ্চিম বর্ধমান জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক মহম্মদ ইউনুস বলেন, ‘জেলা খাদ্যসুরক্ষা সেল এবং ফুড সেফটি ল্যাবের জন্য আসানসোল রেলপাড়ের কর্মতীর্থ ভবনে জায়গা বরাদ্দ করার জন্য মেয়র বিধান উপাধ্যায়কে চিঠি দিয়েছি। বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরি করতে সম্প্রতি পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক এস পোন্নাবলম বৈঠকও করেছেন। পদাধিকারবলে এই সংক্রান্ত কমিটির চেয়ারপার্সন জেলাশাসক।’

ওই বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, সব কিছু ঠিক থাকলে ফুড সেফটি সেল ও ল্যাব আগামী মাস থেকে কাজ শুরু করবে। খাদ্যে ভেজাল রয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করে দেখা এতদিন সময়সাপেক্ষ ব্যাপার ছিল। ল্যাব না থাকার কারণে পরীক্ষার রিপোর্ট পেতেও দেরি হতো।

আসানসোল পুরসভার স্বাস্থ্য দপ্তরের মুখ্য মেডিক্যাল অফিসার দীপক গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘এতদিন খাবারের গুণগত মান যাচাই করতে নমুনা পাঠাতে হতো কলকাতার ল্যাবে। সেই রিপোর্ট আসতেও বহু দেরি হয়। সেদিক থেকে এখন অনেক দ্রুত কাজটা করা যাবে।’

You might also like!