West Bengal

1 hour ago

Rejinagar By-Election: প্রচারের ময়দান থেকে সরে দাঁড়ালেন হুমায়ুন! রেজিনগরে বললেন, ‘জনতার রায় মাথা পেতে নেব’

Humayun Kabir
Humayun Kabir

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  রেজিনগর উপনির্বাচন ঘিরে ফের নতুন মোড়। নির্বাচনী প্রচার থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর। শুধু তিনি নন, দলের প্রার্থী তথা তাঁর ছেলে গোলাম নবী আজাদ রবিনও সরাসরি প্রচারের ময়দানে থাকবেন না বলে জানিয়েছেন তিনি। হুমায়ুনের অভিযোগ, দলের নেতা-কর্মীদের একের পর এক মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে রাস্তায় নেমে নির্বাচনী প্রচার চালানো সম্ভব নয় বলেই তাঁর দাবি। দলীয় কর্মীদের স্বার্থ এবং নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন হুমায়ুন কবীর। তাঁর বক্তব্য, সরাসরি মাঠে-ময়দানে প্রচার না করলেও সমাজমাধ্যমের মাধ্যমে রবিনের হয়ে প্রচার চালানো হবে। অর্থাৎ রেজিনগরে প্রচারের কৌশল বদলে সরাসরি জনসংযোগের বদলে এখন সমাজমাধ্যমকেই প্রধান হাতিয়ার করতে চাইছে আম জনতা উন্নয়ন পার্টি। 

গত কয়েকদিনে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির একাধিক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নির্দিষ্ট অভিযোগেই তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এরপরেই এদিন কার্যত ক্ষোভে ফেটে পড়েন হুমায়ুন। তিনি বলেন, ”যে সমস্ত দলীয় কর্মী আমাদের সঙ্গে থাকছেন পুলিশ বেছে বেছে তাঁদেরকে গ্রেপ্তার করছে। ইতিমধ্যেই চারজন নেতাকে রেজিনগর এবং শক্তিপুর থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। এরপরেই উপ নির্বাচনের প্রচার থেকে নিজে সরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। কিন্তু পরে সিদ্ধান্ত বদল করি। দলের প্রার্থী গোলাম নবী আজাদ রবিনও ভোট প্রচারের ময়দানে নামবে না।” তাঁর কথায়, প্রচারের আর দরকার নেই। মানুষ যা সিদ্ধান্ত নেবে তাই মেনে নেব। 

তবে এদিন পুলিশ প্রশাসনকেও একহাত নেন হুমায়ুন। মুর্শিদাবাদ জেলা পুলিশের একাধিক আধিকারিকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে তিনি বলেন, “এমসিসি লাগু থাকা সত্ত্বেও পুলিশ নিরপেক্ষভাবে কোনও কাজ করছে না। এক কথায় গণতন্ত্রকে হত্যা করা হচ্ছে। এরই প্রতিবাদে আমরা আর মাঠে ময়দানে নেমে প্রচার করব না। আমাদের সমাজমাধ্যমের পাতা থেকেই আগামী কয়েক দিন দলীয় প্রচার চালানো হবে।” বাবার এই সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী গোলাম নবী আজাদ তথা হুমায়ুন পুত্র রবিনও। তিনি বলেন, ”হুমায়ুন কবীর আমার বাবা। তিনি দলের স্বার্থে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা সকলের জন্য প্রযোজ্য, আমার জন্যও প্রযোজ্য।” তবে এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপির বহরমপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি মলয় মহাজন বলেন, ”উনি কীভাবে নির্বাচনী প্রচার করবেন সেটা ওঁর ব্যাপার, এই বিষয়ে আমাদের কিছুই বলার নেই।” বিজেপি নেতার কথায়, শুধু নন্দীগ্রাম নয়, বিপুল ভোটে রেজিনগরেও জয় পাবে বিজেপি। 

You might also like!