Breaking News
 
RG Kar case : আর জি কর মামলায় মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তা, সাসপেন্ড বিনীত গোয়েল ও আরও ২ পুলিশ আধিকারিক Mamata Banerjee And suvendu Adhikari:‘খতিয়ে দেখা হবে’,আর জি কর মামলায় মমতাকেও তদন্তের আওতায় আনার ইঙ্গিত শুভেন্দুর Suvendu Adhikari :জেলের ভিতরে স্মার্টফোন কাণ্ডে তোলপাড়, প্রেসিডেন্সির সুপার সাসপেন্ড, ‘ঘুঘুর বাসা’ ভাঙার বার্তা WB budget session :১৮ জুন থেকে বাজেট অধিবেশন, জনমুখী প্রকল্পে বড় ঘোষণার জল্পনা তুঙ্গে Rahul Gandhi’s foreign trips :বিদেশ সফর নিয়ে রাহুলকে আক্রমণ বিজেপির, কংগ্রেসের দাবি ‘আসল ইস্যু থেকে নজর ঘোরানোর চেষ্টা’ Janatar Darbar :যোগী মডেলে বাংলায় ‘জনতার দরবার’, সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

 

West Bengal

2 years ago

Subash Sarkar : বিজেপি অফিসে তালাবন্দি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, উদ্ধারে বিশাল পুলিশবাহিনী

Subash Sarkar (File Picture)
Subash Sarkar (File Picture)

 

বাঁকুড়া, ১২ সেপ্টেম্বর  : অনেকদিন ধরেই পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি-র দলীয় কোঁদলে মানুষ বিরক্ত। মঙ্গলবার তা লজ্জাকরভাবে প্রকাশ্যে এল। কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকারকে তালাবন্ধ করে রাখলেন নিজের দলের কর্মীরা।

বাঁকুড়ায় বিজেপি পার্টি অফিসের ভিতরে একটি ঘরে তাঁকে ঢুকিয়ে তালা মেরে দেন তাঁরা। সুভাষবাবুর নাম করে ‘হায়-হায়’ স্লোগানও দেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। প্রায় দু’ঘণ্টা তালাবন্দি হয়ে থাকার পর বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে।

মঙ্গলবার সকালে নিজের দলের সমর্থকদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুভাষবাবু। মঙ্গলবার বাঁকুড়ার বিজেপি পার্টি অফিসে সুভাষ ঢুকতেই তাঁকে ঘিরে ধরেন দলীয় কর্মী-সমর্থকেরা। দেওয়া হয় স্লোগান। এর পর সুভাষবাবুকে পার্টি অফিসেরই একটি ঘরে ঢুকিয়ে তালা মেরে দেন সমর্থকেরা।

তার পর বন্ধ ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে চলতে থাকে স্লোগান। ঘটনার খবর পেয়ে আসে বিশাল পুলিশবাহিনী। কিছুক্ষণ তালাবন্দি থাকার পর পুলিশ সুভাষবাবুকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

বিক্ষোভরত কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে সুভাষবাবুর নিরাপত্তারক্ষীদেরও রীতিমতো ধস্তাধস্তি বেধে যায়। খবর পেয়ে পার্টি অফিসে ছুটে আসেন বাঁকুড়ায় বিজেপির জেলা সভাপতিও। তাঁকে ঘিরেও স্লোগান দিতে থাকেন কর্মীরা।

বিজেপির নেতাদের একাংশের অভিযোগ, সুভাষবাবু তাঁর পেটোয়াদের দিয়ে দল চালাচ্ছেন। যার ফলে এত দিন ধরে গড়ে তোলা সংগঠন ধরে রাখা যাচ্ছে না। দলে যোগ্যদের সম্মান নেই বলেও অভিযোগ তাঁদের।

বিক্ষোভরত কর্মীদের দাবি, তাঁরা দলের খারাপ সময় তৃণমূল এবং সিপিএমের বিরুদ্ধে লড়াই করে সংগঠন তৈরি করেছেন। যার সুফল পাওয়া গিয়েছিল গত লোকসভার ভোটে। কিন্তু সুভাষবাবু নিজের লোকেদের দিয়ে সংগঠন দখল করিয়েছেন। বার বার আপত্তি জানিয়েও কাজ হয়নি। ঘনিষ্ঠদের দিয়ে দল করায়ত্ত করার অভিযোগ সম্পর্কে অবশ্য সুভাষবাবুর প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি।

সুভাষবাবুর প্রতিক্রিয়া পাওয়া না গেলেও জেলা সভাপতির দাবি, যাঁরা বিক্ষোভ দেখিয়েছেন তাঁরা কেউই বিজেপির সদস্য নন। তাঁদের দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। যদিও প্রশ্ন উঠছে, বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে বহিষ্কৃত সদস্যেরা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখালেন কী করে? তখন দলের বাকি সদস্যেরাই বা কী করছিলেন!

You might also like!