Breaking News
 
Prashant Kishor: ভোট জয়ের কৌশল থেকে নির্বাচনী ময়দান, প্রশান্ত কিশোরের শতকোটির সম্পত্তি ঘিরে চর্চা Nitin Gadkari: ই-২০ পেট্রল নিয়ে সরব গাড়ি মালিকরা, মাইলেজ বিতর্কে এবার মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী Shivraj Chouhan Meet Suvendu Adhikari: এল নিনো মোকাবিলায় বড় সিদ্ধান্ত, জি রাম জি প্রকল্পে অতিরিক্ত ৫০ দিনের কাজের বার্তা কেন্দ্রের ISCON : কলকাতার রথযাত্রায় নতুন চমক, ইসকনের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু ,উৎসবে আমন্ত্রণ শাহকে Ayushman Bharat : আয়ুষ্মান ভারত কার্ডের আগে জেনে নিন নিয়ম, কোন পেশার ক্ষেত্রে মিলবে না সুবিধা Sudip, Kakoli, and others meet Shah and Birla.: বাদল অধিবেশনের আগে দিল্লিতে তৎপরতা, শাহ-বিড়লার সঙ্গে সাক্ষাতে সুদীপ-কাকলিরা

 

West Bengal

1 month ago

Bengal Crackdown: অনুপ্রবেশকারীদের জন্য রাজ্যে চালু হলো ১১টি হোল্ডিং সেন্টার, সবচেয়ে বেশি বন্দি বসিরহাটে

Eleven holding centers have been opened in the state for infiltrators
Eleven holding centers have been opened in the state for infiltrators

 

কলকাতা, ২৯ মে : বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা সন্দেহে ধৃতদের রাখার জন্য পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে ‘হোল্ডিং সেন্টার’ চালু করেছে রাজ্য সরকার। রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই সমস্ত শিবিরের সংখ্যা এবং সেখানে কতজন বন্দি রয়েছেন, তার একটি বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এখনও পর্যন্ত রাজ্যের মোট ১১টি জায়গায় এই হোল্ডিং সেন্টারগুলি তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে কিছু শিবির পুলিশ জেলা স্তরে এবং কিছু প্রশাসনিক জেলা স্তরে পরিচালিত হচ্ছে। আপাতত বারুইপুর, সুন্দরবন, বসিরহাট, বনগাঁ, বারাসাত, মুর্শিদাবাদ, জঙ্গিপুর এবং কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলায় এই ধরনের কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এ ছাড়া মালদা, কোচবিহার এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাতেও হোল্ডিং সেন্টার তৈরি করা হয়েছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি হোল্ডিং সেন্টার তৈরি হয়েছে বসিরহাট পুলিশ জেলায়। সেখানে মোট তিনটি এই ধরনের শিবির চালানো হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা সন্দেহে ধৃত মানুষের সংখ্যাও সবচেয়ে বেশি এই এলাকাতেই। বাকি জেলাগুলিতে একটি করে কেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে।

সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রাজ্য জুড়ে এই হোল্ডিং সেন্টারগুলিতে বর্তমানে মোট ৩৩৫ জনকে রাখা হয়েছে। যার মধ্যে ১৪৮ জন পুরুষ, ৯৯ জন মহিলা এবং ৮৮ জন শিশু রয়েছে। এর মধ্যে মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলার হোল্ডিং সেন্টারে ১৯ জনকে রাখা হয়েছে। বাকি অন্য সমস্ত কেন্দ্রগুলিতে বন্দির সংখ্যা ১০ জনের কম বলে জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যে, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তপন ব্লকের রামপুরে প্রশাসনিক কাজে ব্যবহারের জন্য তৈরি ‘কর্মতীর্থ’ ভবনটিকেও হোল্ডিং সেন্টারে রূপান্তরিত করা হচ্ছে এবং সেখানে দ্রুত গতিতে কাজ চলছে।

উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নির্দেশ দিয়েছেন যে, রাজ্যে ধৃত বাংলাদেশি বা অন্য দেশের নাগরিকদের গ্রেফতার করা হবে না, বরং সরাসরি এই হোল্ডিং সেন্টারগুলিতে রেখে বিএসএফ -এর হাতে তুলে দেওয়া হবে, যাতে তাঁদের নিজস্ব দেশে ফেরত (ডিপোর্ট) পাঠানো যায়।

You might also like!