Breaking News
 
West Bengal Budget: বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য সুখবর, ৪ শতাংশ বাড়ল ডিএ, গঠিত হবে সপ্তম বেতন কমিশন Mamata Banerjee: আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডে মুখ্যমন্ত্রী না যাওয়াকে কেন্দ্র করে বিতর্ক, কারণ জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় Mamata Banerjee on Suvendu Adhikari: বাজেট অধিবেশনে রাজ্যপালের ভাষণ ঘিরে তীব্র বাকযুদ্ধ, অনুপ্রবেশ বনাম ভিনরাজ্যে বাঙালি নিগ্রহ প্রসঙ্গে মুখোমুখি মমতা–শুভেন্দু West Bengal Budget: সংক্ষিপ্ত রাজ্যপাল ভাষণ ঘিরে বিধানসভায় রাজনৈতিক তরজা, ভোট অন অ্যাকাউন্টের দিনেই শাসক-বিরোধী মুখোমুখি WB interim budget 2026: গিগ কর্মীদের জন্য ‘কবচ’ স্বাস্থ্যসাথী! বাজেটে বড় চমক রাজ্যের, বিনামূল্যে চিকিৎসা পাবেন হাজার হাজার শ্রমজীবী West Bengal Budget 2026: কেন্দ্র না দিলেও পাশে আছে রাজ্য! ১০০ দিনের কাজে বরাদ্দ বৃদ্ধির প্রস্তাবে সিলমোহর, বাজেটে শ্রমিকদের জন্য বড় সুখবর

 

Life Style News

4 weeks ago

Home Hygiene: ওয়াশিং মেশিনই নীরব ঘাতক! ভুল ব্যবহারে বাড়ছে অসুখের ঝুঁকি, রইল বিস্তারিত তথ্য

Washing Machine Hygiene Tips to Stay Healthy
Washing Machine Hygiene Tips to Stay Healthy

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: কাপড় ধোয়ার যন্ত্র বা ওয়াশিং মেশিন এখন প্রায় প্রতিটি বাড়ির অপরিহার্য অংশ। সময় বাঁচে, পরিশ্রমও কমে। কিন্তু অনেকেই জানেন না, এই যন্ত্র সঠিকভাবে পরিষ্কার না করলে তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক হয়ে উঠতে পারে। বাইরে থেকে পরিষ্কার মনে হওয়া কাপড়ের মধ্যেই অজান্তে থেকে যেতে পারে জীবাণু, ছত্রাক ও দুর্গন্ধ, যা সরাসরি শরীরের সংস্পর্শে এসে নানা সমস্যা তৈরি করতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এক-দু’টি বোতাম টিপে কাপড় ধুলেই মেশিন পুরোপুরি পরিষ্কার হয়ে যায়—এমন ধারণা একেবারেই ভুল। ওয়াশিং মেশিনের ড্রাম আপাতদৃষ্টিতে পরিষ্কার লাগলেও রবারের সিল, সাবানের ড্রয়ার বা ড্রেন লাইনের ভিতরে নীরবে জমে ওঠে জীবাণু। বিশেষ করে ঠান্ডা জল দিয়ে কাপড় ধোয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে ঢাকনা বন্ধ করে দিলে মেশিনের ভিতরে আর্দ্রতা থেকে যায়। এই ভেজা পরিবেশেই দ্রুত ছত্রাক ও ক্ষতিকর জীবাণুর জন্ম হয়।


∆ কীভাবে স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে ওয়াশিং মেশিন?

প্রতিবার কাপড় ধোয়ার সময় জামাকাপড়ের সুতো, উলের আঁশ, ঘাম ও ময়লা মেশিনের ভিতরে ঘুরতে থাকে। কিন্তু সেগুলির সঙ্গে থাকা জীবাণু সহজে নষ্ট হয় না। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এগুলি মেশিনের ভিতরে একটি আস্তরণ তৈরি করে, যেখানে জীবাণু বাসা বাঁধে। পরবর্তী ধোয়ায় সেই জীবাণু নতুন কাপড়ের সঙ্গে লেগে যায়। এই জীবাণু ত্বকের সংস্পর্শে এলে চুলকানি, র‍্যাশ, অ্যালার্জি এমনকি শ্বাসকষ্টের সমস্যাও দেখা দিতে পারে। যাঁদের এগজ়িমা রয়েছে বা ত্বকে কাটা-ছেঁড়া আছে, তাঁদের ক্ষেত্রে সংক্রমণের ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।


∆ তবে কয়েকটি সহজ কৌশল মানলে এই সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব—

১. ঢাকনার চারপাশের রবারের অংশ আর ভিতরের ড্রামের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া দরকার। কাপড় ধোয়ার পর এখানে জল, ময়লা আর সাবানের আস্তরণ জমে থাকে। নিয়মিত শুকনো কাপড় দিয়ে এই জায়গাগুলি মুছলে ছত্রাক জমার ঝুঁকি কমে। ধোয়া শেষ হলে কিছু ক্ষণ ঢাকনা খোলা রেখে দিলে ভিতরে আর্দ্রতা জমে থাকার সম্ভাবনাও কমে যেতে পারে।

২. সম্ভব হলে মাঝেমধ্যে ঠান্ডার বদলে গরম জলে মেশিন চালানো উচিত। মাসে এক বা দু’বার খালি যন্ত্র গরম জল দিয়ে ধুলেও উপকার মেলে। এর ফলে ভিতরে জমে থাকা ময়লা, দুর্গন্ধ আর জীবাণু অনেক পরিমাণে কমে যায়।

৩. সাবানের ড্রয়ার আর ময়লা জমার ছাঁকনির প্রতিও যত্নবান হতে হবে। এই অংশগুলিতে সাবান ও ময়লা জমে শক্ত হয়ে যায়। এই জমে থাকা ময়লা থেকেই বাজে গন্ধ আর জীবাণুর জন্ম হয়। নিয়মিত এই অংশগুলি খুলে জল দিয়ে পরিষ্কার করলে কাপড়ও ভাল ভাবে পরিষ্কার হয়, যন্ত্রও দীর্ঘদিন টেকসই থাকে।

You might also like!