kolkata

2 years ago

Partha Chatterjee Bail : পার্থর জামিনের প্রথম আর্জি হাই কোর্টে, ইডি-র আর্জিতে ফিছলো শুনানী

Partha Chatterjee (File Picture)
Partha Chatterjee (File Picture)

 

কলকাতা, ৬ সেপ্টেম্বর  : নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে অভিযুক্ত প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় কলকাতা হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করলেন। এই প্রথম হাইকোর্টে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে আবেদন করা হল।

তবে ইডির আবেদনের প্রেক্ষিতে এ দিন শুনানি না করে তা পিছিয়ে দেয় আদালত। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তিন সপ্তাহ সময় চেয়েছিল। আদালত অত সময় দিতে চায়নি। ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইডিকে হলফনামা জমার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তার জবাবি হলফনামা দেবেন পার্থর আইনজীবী। পরবর্তী শুনানি ৯ অক্টোবর।

সম্প্রতি ওই দুর্নীতির মামলায় জামিন পেয়েছেন মানিক ভট্টাচার্যের স্ত্রী। এই মামলায় এটাই প্রথম জামিন। গত বছরের ২২ জুলাই গ্রেফতার করা হয় প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। এক বছরেরও বেশি সময় গারদেই কাটিয়ে ফেলেছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী।

গত বছর নাকতলার বাড়ি থেকে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর ইডি তাঁকে গ্রেফতার করে। একই সঙ্গে ওইদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে বিপুল নগদ টাকা ও সোনা-সহ গ্রেফতার করা হয় টালিগঞ্জ এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে। তারপর থেকে নিম্ন আদালতে দফায় দফায় জামিনের আবেদন জানিয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়।

নিম্ন আদালতে একাধিকবার অসুস্থতার কারণে জামিনের আবেদন করেন পার্থ। কিন্তু কোনও আবেদনই গ্রাহ্য হয়নি। সিবিআই ও ইডি-র মামলায় প্রেসিডেন্সি জেলই ঠিকানা হয়েছে পার্থর। এই প্রথম তিনি জামিনের আর্জি জানালেন কলকাতা হাইকোর্টে। এর আগে একাধিকবার তিনি বলেছেন, বিনা বিচার আটক রয়েছি প্রায় এক বছর হয়ে গেল। তাঁর বিরুদ্ধে তো কোনও প্রমাণই নেই! এই যুক্তিতেই জামিন চাইছেন তিনি।

বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে আবেদন জানিয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, নিয়োগ-দুর্নীতি নিয়ে যে সব অভিযোগ সামনে আসছে, তার কোনওটিতেই তাঁর বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ নেই। এছাড়া যে বিপুল নগদ টাকা উদ্ধারের পর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল, সেটাও তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়নি বলে উল্লেখ করেছেন পার্থ।

আগামী ৯ অক্টোবর শুনানি আছে এই মামলার। গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে পার্থবাবু বারবার একটাই কথা বলেছেন অভিযোগের সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্ক ছিল না। এসএসসি বা পর্ষদ ছিল স্বশাসিত, তাই মন্ত্রী হিসেবে এ সব ক্ষেত্রে তাঁর কোনও ভূমিকা ছিল না। পাশাপাশি, শারীরিক অসুস্থতার কথাও তিনি বারবার বলেছেন আদালতে। এদিকে মানিক ভট্টাচার্যের পুত্র সৌভিক ভট্টাচার্যের জামিনের আবেদনের শুনানি পিছল। ১১ সেপ্টেম্বর পরবর্তী শুনানি। ইডির আবেদনের প্রেক্ষিতে এই শুনানিও পিছিয়ে গেল।

You might also like!