Breaking News
 
CEC Complaint Row: জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে FIR মহুয়ার! ‘সুপ্রিম-নির্দেশের অবমাননা’, মামলা চেয়ে কেন্দ্রের কাছে চিঠি Milan Pradhan in 2007 case: মিলনের শ্যোন অ্যারেস্ট নিয়ে নতুন মোড়! সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশের বিরোধিতায় ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্য Nandigram Bye Election : জেলবন্দি মিলনের হয়ে মাঠে অর্পিতা! মমতা-রাহুলকে ধন্যবাদ, শুক্রবার থেকেই নন্দীগ্রামে প্রচার Festival Firecracker Curbs: বাজি পোড়ানোয় কড়া নিষেধাজ্ঞা! উৎসবের মরশুমে লেজার লাইটও বন্ধ রাখার নির্দেশ বম্বে হাই কোর্টের Annapurna Bhandar: বেহাল রাস্তা সারাতে অন্নপূর্ণার টাকা! নিজের ২ মাসের ভাতা দান বিজেপি নেতার স্ত্রীর TMC name-symbol row: মমতার ‘প্রতীক-যুদ্ধ’! সিদ্ধান্ত নিতে কত সময়, কমিশনের কাছে জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট

 

kolkata

2 months ago

Anti-goonda bill: গুন্ডাদমন বিলে নতুন বার্তা, বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে মমতার প্রসঙ্গ টানলেন মন্ত্রী

Agnimitra Paul & Mamata Banerjee
Agnimitra Paul & Mamata Banerjee

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারপর্বে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ডিজে’ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ব্যাপক রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। একই সময়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি জনসভায় দেওয়া বক্তব্য নিয়েও রাজ্যজুড়ে আলোচনা শুরু হয়। যদিও সেই মন্তব্যের জেরে পৃথক কোনও মামলা দায়ের হয়নি, তবুও তা রাজনৈতিক মহলে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্কের বিষয় হয়ে রয়েছে। সোমবার বিধানসভায় ‘গুন্ডাদমন বিল’ পেশ হওয়ার পর বিলটির প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ওই বিতর্কিত মন্তব্যের প্রসঙ্গ তোলেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর বক্তব্য, সমাজে উত্তেজনা বা বিভাজন তৈরি করতে পারে—এমন উসকানিমূলক মন্তব্যের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। মন্ত্রী ইঙ্গিত দেন, প্রস্তাবিত গুন্ডাদমন আইন কার্যকর হলে জনসমক্ষে দেওয়া উসকানিমূলক বা আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করতে পারে এমন বক্তব্যও আইনের আওতায় এনে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে। 

সোমবার বিধানসভায় পেশ হয়েছে ‘পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সেফটি অ্যান্ড কন্ট্রোল অফ অ্যান্টি-সোশাল অ্যাক্টিভিটিজ বিল, ২০২৬’, যা সংক্ষেপে ‘গুন্ডাদমন বিল’ নামে পরিচিত। এই বিল পাশ করিয়ে লুটের সম্পত্তি উদ্ধার করাও সরকারের লক্ষ্য বলে জানা গিয়েছে। বিলের খসড়ায় বলা হয়েছে, কমিশন চাইলে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণের চেয়েও দ্বিগুণ ‘দৃষ্টান্তমূলক ক্ষতিপূরণ’ বা জরিমানা আদায় করতে পারে। এখানেই শেষ নয়, বর্তমানে যে আইন রয়েছে তা অন্তত এই বাংলায় আইনের শাসন কায়েম করে রাখার পক্ষে যথেষ্ট নয়। বিলে পুলিশ বা তদন্তকারী সংস্থাকে বিপুল ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। গুন্ডাদমন আইনের আওতায় কাউকে গ্রেপ্তার করা হলে ১ বছর পর্যন্ত কারাবাস হবেই। মোদ্দা কথা, রাজ্যে গুন্ডারাজ দমনে অত্যন্ত কঠোর হতে চলেছে এই আইন। 

বিল পেশের পর আলোচনা করতে উঠে প্রথমেই আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি বিরোধিতা করেন। প্রশ্ন তোলে, গুন্ডা বলে সন্দেহ করে কাউকে গ্রেপ্তার করা হলে ১ বছর পর্যন্ত বিনা দোষে কারাবাস ভোগ করতে হবে কেন? কেন তিনি জামিন পাবেন না? বিরোধীদের কোনও কার্যকলাপ গুন্ডাগিরি বলে সন্দেহ করে যদি গ্রেপ্তার করা হয়, তাহলে তাঁরা বড়সড় সমস্যা তৈরি হবে। তাঁর পরামর্শ, বিলটি সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানো হোক।  

You might also like!