Breaking News
 
CEC Complaint Row: জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে FIR মহুয়ার! ‘সুপ্রিম-নির্দেশের অবমাননা’, মামলা চেয়ে কেন্দ্রের কাছে চিঠি Milan Pradhan in 2007 case: মিলনের শ্যোন অ্যারেস্ট নিয়ে নতুন মোড়! সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশের বিরোধিতায় ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্য Nandigram Bye Election : জেলবন্দি মিলনের হয়ে মাঠে অর্পিতা! মমতা-রাহুলকে ধন্যবাদ, শুক্রবার থেকেই নন্দীগ্রামে প্রচার Festival Firecracker Curbs: বাজি পোড়ানোয় কড়া নিষেধাজ্ঞা! উৎসবের মরশুমে লেজার লাইটও বন্ধ রাখার নির্দেশ বম্বে হাই কোর্টের Annapurna Bhandar: বেহাল রাস্তা সারাতে অন্নপূর্ণার টাকা! নিজের ২ মাসের ভাতা দান বিজেপি নেতার স্ত্রীর TMC name-symbol row: মমতার ‘প্রতীক-যুদ্ধ’! সিদ্ধান্ত নিতে কত সময়, কমিশনের কাছে জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট

 

kolkata

2 months ago

Kolkata Hawker: ফুটপাত দখল রুখতে কড়া কলকাতা পুরসভা, ভেন্ডিং লাইসেন্সে আসছে নয়া নিয়ম

Kolkata Municipality's new plan to regulate hawkers
Kolkata Municipality's new plan to regulate hawkers

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  কলকাতার হারানো সৌন্দর্য ও স্বাভাবিক চলাচল ফিরিয়ে আনতে বড় উদ্যোগ নিচ্ছে পুরসভা ও কলকাতা পুলিশ। শহরের গুরুত্বপূর্ণ ৫৮টি বড় রাস্তার ক্রসিং এবং সমস্ত ফুটপাত পথচারীদের জন্য ফের উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পুরসভার নির্দেশ অনুযায়ী, কোনও ক্রসিংয়ের দু’পাশে ৪৫ ফুটের মধ্যে হকার বসে থাকলে তাঁদের সরে যেতে হবে। পাশাপাশি শহরের মূল রাস্তা বা ‘কালো পিচ’-এর অংশে যাতে কোনও হকার বসতে না পারেন, তা নিশ্চিত করতে ২৪ ঘণ্টা নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশকে। শুধু রাস্তা নয়, কলকাতার স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল, সরকারি দপ্তর, শপিং মল, পুর মার্কেট এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের প্রবেশপথের আশপাশ থেকেও হকার সরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পুর কমিশনার ও প্রশাসক স্মিতা পাণ্ডে জানিয়েছেন, এই সব জায়গায় পথ চলাচলের সুবিধা ফিরিয়ে আনাই মূল লক্ষ্য। পুরসভা সূত্রে খবর, আপাতত বড় আকারের উচ্ছেদ অভিযান শুরু করা হচ্ছে না। তবে শহরের ঐতিহ্য, সৌন্দর্য এবং সাধারণ মানুষের সুবিধার কথা মাথায় রেখে হকার নিয়ন্ত্রণে একাধিক কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। শহরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবিকে গুরুত্ব দিয়েই এই উদ্যোগ বলে জানানো হয়েছে। 

রবিবার মন্ত্রী দিলীপ ঘোষও হকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন, “কলকাতায় একেই ছোট রাস্তা। গাড়িঘোড়ার জ্যাম। পরিষ্কার করতে হবে। হকাররা নিজেরা সরে গেলেই ভালো।” পুর প্রশাসক দায়িত্ব নেওয়ার পর টাউন্ড ভেন্ডিং কমিটির প্রথম বৈঠকে দ্বিতীয় যে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে, তা হল- এসআইআর-এর পর যাঁদের নাম ভোটার তালিকায় নেই তাঁদের হকারির জন্য ‘ভেন্ডিং লাইসেন্স’ দেওয়া হবে না। বিদায়ী তৃণমূল সরকারের সময়ে যে ৮৭২৭ জনের ভেন্ডিং সার্টিফিকেট দিতে তালিকা প্রস্তুত হয়েছিল তাঁদের ফের এসআইআর প্রমাণপত্র আনতে বলা হয়েছে। অভিযোগ, একশ্রেণির ইউনিয়ন নেতা প্রচুর বাংলাদেশিকে মোটা টাকার বিনিময়ে হকারি করার সুযোগ ও ভেন্ডিং লাইসেন্স পাইয়ে দিচ্ছিল। তাঁদেরও চিহ্নিত করা শুরু হয়েছে। অভিযোগ, রেলস্টেশনে উচ্ছেদ হওয়া হকারদের একাংশ রাতের অন্ধকারে কলকাতার বিভিন্ন গলিতে এসে চুপি চুপি বসে পড়ছে, তা বন্ধে পুলিশকে বলা হয়েছে। 

রেলস্টেশনে হকার উচ্ছেদ নিয়ে বিতর্কের মধ্যে দিন কয়েক আগে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য মন্তব্য করেন, ধর্মতলার ‘শ্রী ফেরানো’র জন্য মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে আবেদন করব। বস্তুত শমীকের সেই বার্তার পর এবার যে কলকাতার রাস্তা জবরদখলমুক্ত করার কাজ পুরসভা শুরু করছে তা স্পষ্ট। টাউন ভেন্ডিং কমিটির বৈঠকে আরও সিদ্ধান্ত, প্রথম দফায় ধর্মতলা, পার্ক স্ট্রিট, বিবাদী বাগ-সহ কলকাতার ১৮৯২টি চিহ্নিত গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় হকার রাখা হবে না। দ্বিতীয় দফায় মহানগরের অন্তত আরও দু’হাজার ব্যস্ত রাস্তাকে কমিটির সদস্যদের নিয়েই সমীক্ষা শেষে ‘নো-হকিং জোন’ করা হবে। ১৫ দিনের মধ্যে যৌথভাবে সমীক্ষা শুরু হবে। কমিটির বৈঠকে অংশ নেওয়া হকার সংগ্রাম কমিটির নেতা শক্তিমান ঘোষ জানান, “বিভিন্ন বরোর এক্সিকিউটিভরা দিন ঠিক করে জানালেই সমীক্ষায় অংশ নেব।” ২০২৪ সালে সমীক্ষায় ৫৬ হাজার হকার বলে যে তালিকা হয়েছিল সেখানেও প্রচুর ভুয়া নাম আছে। যদিও হকারদের দাবি, প্রকৃত সংখ্যা ২ লক্ষ ৭৫ হাজারের বেশি। 

You might also like!