
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: রিলের দুনিয়া নয়, বাস্তব জীবনে জেন জি-দের আস্থা রাখার বার্তা দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতীন নবীন। সোমবার কৈখালিতে দলের ‘যুব ভারত সংলাপ’ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে যুব সমাজকে সঠিক তথ্য যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। পাশাপাশি দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের মধ্যে আরও ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রেও যুবকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন নবীন। তাঁর আশঙ্কা, মোবাইলের নেশায় অনেকটাই ডুবে রয়েছে বর্তমান প্রজন্ম। তাই শুধু মোবাইলের পর্দায় সীমাবদ্ধ না থেকে ভারতের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, খেলাধুলা ও সঙ্গীতের সঙ্গে সক্রিয় ভাবে যুক্ত হওয়ার পরামর্শ দেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। আসন্ন দ্বিতীয় দফার ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ কর্মসূচির আগে যুব সমাজকে দেওয়া তাঁর এই বার্তা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।
সোমবার কৈখালিতে যুব সম্প্রদায়ের সঙ্গে আলাপচারিতা করেন নীতীন। দেশের নতুন শিক্ষা ব্যবস্থার প্রশংসা শোনা যায় তাঁর মুখে। মূলত ডাক্তারি প্রবেশিকা পরীক্ষা নিটের প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ ঘিরে দেশজুড়ে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। জেন জি-দের প্রতিবাদের জেরে শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিতে বাধ্য হন ধর্মেন্দ্র প্রধান। এই ঘটনায় উত্তাল হয়ে ওঠে দেশের রাজনীতি। বিক্ষোভের সময় সোশাল মিডিয়ায় প্রচুর ‘ফ্যাব্রিকেটেড’ রিল ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এর জেরে যুব সমাজের কাছে ভুল বার্তা পৌঁছে যায়। সম্প্রতি জাতীয় নির্বাচন কমিশনের অন্তর্দ্বন্দ্বের খবর প্রকাশ্যে আশার পর মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে নতুন করে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। এই আবহে সতর্ক করে নীতীন এদিন জানান, দেশের যুব সমাজ রিল ও রিয়েলের মধ্যে ফারাক বোঝেন। তাঁরা জানেন, কোনটা ঠিক।
নীতীনের কথায়, “পশ্চিমবঙ্গই এমন একটি রাজ্য যেখানে অনেক জিনিস এক সঙ্গে পাওয়া যায়। এখানকার মানুষের ডিএনএ-তে একসঙ্গে স্পোর্টস, সাহিত্য ও কলা আছে। নতুন শিক্ষা নীতির উপর ভরসা করতে হবে। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করব, স্কুলের অ্যাডিশনাল পেপার হিসেবে আর্ট, কালচার, স্পোর্টস অন্তর্ভুক্ত করা হোক। স্কুল এডুকেশনে সাবজেক্ট হিসেবে অন্তর্ভুক্তি করা হলে মার্কসও পাওয়া যাবে। স্কুল জীবন থেকেই এইসবের প্রতি পড়ুয়াদের আগ্রহ বাড়বে।”
