
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের এই নজিরবিহীন প্রশাসনিক রদবদল নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষোভ এখন বাংলার রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে। রবিবার (১৫ মার্চ, ২০২৬) রাতে মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে সরিয়ে দেওয়ার পর সোমবার সকালে পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষ স্তরে যে রদবদল হয়েছে, তাকে ঘাসফুল শিবির ‘বিজেপির ষড়যন্ত্র’ হিসেবেই দেখছে।এই ইস্যুতে একযোগে বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনকে একহাত নিয়ে তৃণমূল নেত্রীর মন্তব্য, ”কাউকে কাজে লাগিয়ে ছুপারুস্তমের মতো গুপ্ততাণ্ডব করছে।” শুধু তাই নয়, কমিশনকে মহিলা এবং বাঙালি বিদ্বেষী বলেও তোপ দাগেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
রান্নার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি এবং বাণিজ্যিক গ্যাস সরবরাহে কেন্দ্রের হঠকারী সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আজ সোমবার কলেজ স্কোয়ার থেকে ডোরিনা ক্রসিং পর্যন্ত করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই সভা থেকেই এদিন মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব-সহ প্রশাসনের একাধিক কর্তাকে রদবদল নিয়ে সরব হন তিনি। কমিশনকে একহাত নিয়ে মমতা বলেন, ”বাঙালি মহিলা চিফ সেক্রেটারিকে বদলে দিয়েছেন। একজন মহিলাকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বার করে দিলেন।” শুধু বাঙালি নয়, অবাঙালিদেরও বাদ দেওয়া হয়েছে তোপ দাগেন মুখ্যমন্ত্রী। এই বিষয়ে উদাহরণ হিসাবে পীযূষ পাণ্ডে-সহ একাধিক পুলিশকর্তার নাম তুলে ধরেন তিনি। এই বিষয়ে রাজ্যকে একবারও জিজ্ঞাস করা হয়নি বলেও তোপ দাগেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এরপরেই মুখ্যমন্ত্রীর স্পষ্ট বার্তা, ”যাঁকেই পাঠান, তাঁরা আমাদের হয়ে কাজ করবেন। মানুষের হয়ে কাজ করবেন।’’অন্যদিকে মানুষকে ভরসা রাখার বার্তা দিয়ে কোনও প্ররোচনায় পা না দেওয়ার কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “ভরসা রাখুন, আস্থা রাখুন প্ররোচনায় পা দেবেন না।” অন্যদিকে নির্বাচনের স্বার্থে গ্যাস নিয়ে বিজেপি রাজনীতি করছে বলেও অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী।
