Breaking News

 

International

3 years ago

Sukumar Chowdhury:মুক্তিযোদ্ধা ও ভাষা শহিদদের শ্রদ্ধাঞ্জলি, ব্যক্তিগত উদ্যোগে চট্টগ্রামের চাঁদগাঁওয়ে শহিদমিনার তৈরি করছেন শিল্পপতি সুকুমার চৌধুরী

Sukumar Chowdhury
Sukumar Chowdhury

 

চট্টগ্রাম (বাংলাদেশে), ৫ মার্চ  : মুক্তিযোদ্ধা ও ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ব্যক্তিগত উদ্যোগে চট্টগ্রামের চাঁদগাঁওয়ে শহিদমিনার তৈরি করে দিচ্ছেন বাংলাদেশ জন্মাষ্ঠমী পূজা পরিষদের সভাপতি, শিল্পপতি সুকুমার চৌধুরী। সম্প্রতি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম চৌধুরীর উপস্থিতিতে এই শহিদমিনারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।

শহিদ মিনারটি নতুন করে নির্মাণ করতে চাঁদগাঁও ওয়ার্ডের নাগরিকদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এতদিন কেউ এগিয়ে আসেনি। শেষে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এগিয়ে এসেছেন বাংলাদেশ জন্মাষ্ঠমী পূজা পরিষদের সভাপতি সুকুমার চৌধুরী।

এ বিষয়ে সুকুমার চৌধুরী বলেন, ‘মানবতার সেবাই পরম ধর্ম। ভাষা হল আমাদের বাস্তব ও অধরা ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং বিকাশের সবচেয়ে শক্তিশালী যন্ত্র। একুশে ফেব্রুয়ারি সমস্ত বাংলাভাষী জনগণের গৌরবোজ্জ্বল একটি দিন। বাঙালি জাতি ভাষা আন্দোলনের জন্য সারা বিশ্বে পরিচিত। কারণ ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছে, এমন ঘটনা বিরল।’ তাই ভাষা শহিদদের শ্রদ্ধা জানাতে শহিদমিনার তৈরি করার সুযোগ পাওয়ার জন্য তিনি নিজেকে ভাগ্যবান বলে মনে করেন।

প্রসঙ্গত, বিশিষ্ট শিল্পপতি আওয়ামিলিগ নেতা চট্টগ্রামের ৮ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী। সারাজীবন মানুষের সেবা করে গেছেন সুকুমারবাবু। তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রাম-৮ আসনে বঙ্গবন্ধু-কন্যা যাঁকে মনোনয়ন দেবেন নৌকার বিজয় নিশ্চিত করার জন্য তাঁর হয়ে কাজ করে যাবেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি কোনও দিন পদ-পদবীর লোভ করিনি। বঙ্গবন্ধু এবং দেশরত্ন শেখ হাসিনার আওয়ামিলিগের একজন নিবেদিত কর্মী।’

উল্লেখ্য, সুকুমার চৌধুরী কোভিড-১৯-কালে চট্টগ্রামের চাঁদগাঁও, মোহরা, কালুরঘাটের মানুষের কাছে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দিয়ে দৃষ্টান্ত স্হাপন করেছেন। কিছুদিন আগেও পঞ্চগড়ে লঞ্চডুবির ঘটনায় সবকিছু হারিয়ে মানুষ যখন কর্মহীন হয়ে পড়েন, তখন সুকুমার চৌধুরী সেখানে ছুটে গিয়ে অসহায় মানুষদের জন্য ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে যান এবং নগদ অর্থ বিতরণ করেন। ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে নিরলসভাবে পরিশ্রম করেছেন রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যেও কাজ করে যাচ্ছেন বঙ্গবন্ধু-কন্যা। বলেন, জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু নিঃস্বার্থভাবে সারাজীবন সাধারণ মানুষের সেবা করে গেছেন। বঙ্গবন্ধু-কন্যা ও দেশরত্ন শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশ উপহার দিয়েছেন, স্মার্ট বাংলাদেশ রূপান্তর করার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।

ইতোমধ্যে হাসিনা বাংলাদেশের জনগণের জন্য চালু করেছেন মেট্রোরেল, যা যানজট নিরসনে অভূতপূর্ব ভূমিকা রাখবে। পদ্মাসেতু ও চট্টগ্রামে কর্ণফুলি টানেল উপহার দিয়েছেন, মাতাবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র স্হাপন করেছেন, রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র, চট্টগ্রামের দোহাজারি থেকে কক্সবাজার রেললাইন চালু করেছেন তিনি।


You might also like!