Breaking News
 
বিক্ষোভের জেরে দিল্লি অবরুদ্ধ কেন? যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের Anubrata Mandal: কেষ্টর নিরাপত্তায় রাজ্য সরকারের বড় পদক্ষেপ, এবার সশস্ত্র দেহরক্ষী পেলেন অনুব্রত Humayun Kabir: ‘২০২৯-এর পর দুবাই চলে যাব’, রেজিনগরে হারতেই বড় ঘোষণা হুমায়ুন কবীরের! WB By-Elections: নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে বিজেপির জয়জয়কার, ‘কংগ্রেস মরা দল’ কটাক্ষ শুভেন্দুর, সংখ্যালঘুদেরও ধন্যবাদ মুখ্যমন্ত্রীর President Murmu to meet I.N.D.I.A. bloc leaders: জ্ঞানেশের পদত্যাগের দাবিতে একজোট ইন্ডিয়া, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠকে মমতা-রাহুলরা Appointment Letter for an Athlete: খেলার মাঠে সাফল্যের স্বীকৃতি, ৭৮ পদকজয়ী ক্রীড়াবিদকে সরকারি চাকরির পথে রাজ্য সরকার

 

International

2 years ago

Chinese Spy Ship: মালদ্বীপে আসছে চিনা নজরদারি জাহাজ, চিন্তা বাড়ল নয়াদিল্লির ব্যাপারটা কী?

Chinese surveillance ship is going to build a base in Maldives (File Picture)
Chinese surveillance ship is going to build a base in Maldives (File Picture)

 

দুরন্ত  বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ ভারতকে প্যাঁচে ফেলতে মালদ্বীপে ঘাঁটি গাড়তে চলেছে চিনা নজরদারি জাহাজ। ‘শিয়াং ইয়াং হং-৩’ নামের ওই জাহাজটি ইতিমধ্যে দক্ষিণ চিন সাগর হয়ে মলাক্কা প্রণালী পেরিয়ে সুন্দা প্রণালীতে পৌঁছে গিয়েছে। এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুয়ায়ী, আগামী ৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে জাহাজটি মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে পৌঁছবে। মহম্মদ মুইজ্জুর  দেশে চিনা নজরদারি জাহাজের এহেন গতিবিধি তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। গোটা ঘটনায় উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি। 

লাক্ষদ্বীপে মোদির সফরের পরেই মালদ্বীপ-ভারত অশান্তি শুরু হয়। দুই দেশের নাগরিকদের মধ্যে টুইট তর্জা শুরু হয়। যাতে জড়িয়ে পড়েন মালদ্বীপের শাসক দলের নেতারাও। তাঁরা প্রকাশ্যে ভারতবিরোধী মন্তব্য করেন। ওই ঘটনায় দুই দেশের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে উভয়পক্ষ। একই সময়ে চিন সফর করেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু। কূটনৈতিক টানাপড়েনের এই আবহে চিনা গুপ্তচর জাহাজের মালদ্বীপে আগমন নাটকীয় মোড় আনতে পারে দুই দেশের সম্পর্কে। যেখানে তৃতীয় পক্ষ চিনের উপস্থিতি আগুনে ঘি ঢালার পক্ষে যথেষ্ট।

এর আগে একাধিক চিনা নজরদারি জাহাজ ভারতের প্রতিবেশী আরেক দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কার হাম্বানটোটা বন্দরে সাময়িক ঘাঁটি গেড়েছিল। ওই ঘটনায় কলোম্বোর উপরে ক্ষুব্ধ হয়েছিল নয়াদিল্লি। পরবর্তীকালে ভারতের আপত্তিতে ‘শিয়াং ইয়াং হং-৩’ নামের চিনা জাহাজটিকে হাম্বানটোটা বন্দরে ভিড়তে দেয়নি রনিল বিক্রমসিঙ্ঘের সরকার। উল্লেখ্য, প্রতিবারের মতো এবারও গুপ্তচর জাহাজটিকে ‘সমুদ্র গবেষণা’ জাহাজ বলে দাবি করছে চিন সরকার। অন্যদিকে ‘শিয়াং ইয়াং হং-৩’ -এর আগমন মুইজ্জুর চিনা ঘনিষ্ঠতাকে আরও একবার প্রমাণ করল। এবার ভারত কী পদক্ষেপ করে সেটাই দেখার।

You might also like!