
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ ব্রিটেনের তরুণ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক। তার জন্য একরাশ গর্ব প্রকাশ করে তাঁর শাশুড়ি বলেন,এর জন্য তার মেয়ে অক্ষতা মূর্তিকে ক্রেডিট দিতে হবে। ইনফোসিস প্রতিষ্ঠাতা নারায়ণ মূর্তির স্ত্রী সুধার দাবি, অক্ষতার সাহায্য না থাকলে রাজনীতির ময়দানে এত দ্রুত উন্নতি করতে পারতেন না সুনাক। প্রসঙ্গত, সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার মাত্র ৭ বছরের মধ্যে দেশের প্রধানমন্ত্রী পদে বসেছেন সুনাক। এই ঘটনা সত্যি বিস্ময়ের ব্যাপার। মাত্র সাত বছর রাজনীতি করে দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া কিন্তু মুখের কথা নয়।
ঋষি সুনাকের শাশুড়ির একটি বক্তৃতা ভাইরাল হয়েছে সোস্যাল মিডিয়ায়। সেখানে সুধা বলছেন,"আমার স্বামীকে সফল ব্যবসায়ী বানিয়েছি। আর আমার মেয়ে তার স্বামীকে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বানিয়েছে। আসলে স্বামীর সাফল্যের নেপথ্যে সবচেয়ে বেশি কৃতিত্ব থাকে তাঁর স্ত্রীরই।” এই ধরনের ভাবনা ভারতীয় দর্শনে আছে। কিন্তু তা যে ব্রিটেনেও আছে তা জানা গেলো। ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে,সুধা আরও বলেন, “একজন স্ত্রী তাঁর স্বামীকে অনেক বদলে দিতে পারেন। তবে আমি আমার স্বামীকে বদলাতে পারিনি। কিন্তু ঋষিকে অনেক পালটে দিয়েছে অক্ষতা। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস থেকে শুরু করে
ধর্মপালনের মতো নানা বিষয়ে ঋষিকে অনেক সাহায্য করেছে। মূর্তি পরিবারের নিয়ম মেনে প্রতি বৃহস্পতিবার উপোস করে আমাদের জামাই।"
ইতিহাস জানান দিচ্ছে,২০০৯ সালে ইনফোসিস প্রতিষ্ঠাতা নারায়ণ মূর্তির কন্যা অক্ষতার সঙ্গে বিয়ে হয় ঋষি সুনাকের। যদিও সেই সময়ে রাজনীতির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ ছিল না। ২০১০ সালে ব্রিটেনে কনজারভেটিভ পার্টিতে যোগ দেন। মাত্র ৪ বছরের মধ্যেই রিচমন্ড কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হন। তারপর
থেকেই ব্রিটিশ রাজনীতিতে তাঁর দ্রুত উত্থান। ২০১৯ সালে দেশের অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয় ভারতীয় বংশোদ্ভূত রাজনীতিককে। দীর্ঘ ডামাডোলের পর অবশেষে ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হন সুনাক।
