Breaking News
 
Chinmoy Prabhu: চিন্ময় প্রভুর মুক্তির দাবিতে কলকাতায় ফের বিক্ষোভ, সন্ন্যাসীদের মিছিলে পুলিশি বাধায় উত্তেজনা Flydubai Attack: ৯/১১-র পর বিমানে ‘অস্ত্র’ নিয়ে বড় বদল, সেই নিয়মের সুযোগেই জঙ্গি হামলা? প্রকাশ্যে সরকারি বিবৃতি Siliguri Cow Smuggling Row: গরুচোর সন্দেহে গণপিটুনিতে মৃত্যু যুবকের, ভাঙচুর একাধিক গাড়ি, উত্তেজনা WB Special Ration Package: পুজোর আগে রেশনে ‘ফেস্টিভ প্যাকেজ’! অর্ধেক দামে ময়দা-চিনি-সুজি, জানুন বিস্তারিত Suvendu on Mamata : নন্দীগ্রামে মমতার চোট নিয়ে ফের তদন্তের নির্দেশ, রিপোর্ট হাতে শুভেন্দু, ভোটের পর শুরু তদন্ত প্রক্রিয়া Bayron Biswas: বাড়িতেই অগ্নিদগ্ধ ঋতব্রতপন্থী বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস, শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক

 

Health

6 months ago

Pediatric Advice: অ্যাজমা না কি সাধারণ অ্যালার্জি? রাতে শিশুর অবিরাম কাশির নেপথ্যে থাকা ৫টি গোপন কারণ চিনুন আজই

Children’s Health Advice
Children’s Health Advice

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: শিশুকে বিছানায় শোয়ালেই কি তার কাশি দ্বিগুণ বেড়ে যাচ্ছে? চিকিৎসকদের মতে, দিনের বেলা শিশু সুস্থ থাকলেও রাতে শোয়ার পর এই কাশির নেপথ্যে থাকতে পারে 'পোস্ট-নেজাল ড্রিপ' (Post-nasal drip)। শোয়া অবস্থায় নাক ও সাইনাস থেকে আসা মিউকাস গলার পেছনের দিকে জমা হতে থাকে, যা কাশিকে উসকে দেয়। এ ছাড়া শোবার ঘরে থাকা ধুলোবালি বা অ্যালার্জেন থেকেও এমনটা হতে পারে। বিষয়টিকে স্রেফ ঋতু পরিবর্তন ভেবে অবহেলা না করে, সঠিক কারণ খুঁজে বের করা এবং প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

রাতে ঘুমের মধ্যে শিশু দু’টি কারণে কাশতে পারে। প্রথম কারণটা হল পোস্ট নেজ়াল ড্রিপ। এ ক্ষেত্রে শিশুর যখন সর্দি হয় বা ঠান্ডা লাগে, তখন ঘুমোলে তাঁর নাকে জমে থাকা সর্দি পিছনে দিকে গিয়ে গলার কাছে জমা হয়, অস্তস্তি হয় তাদের। এই কারণেই ঘুমোনোর ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই তাদের হঠাৎ করে কাশি শুরু হয়ে যায়।

আর যে কারণে শিশুর রাতের দিকে হঠাৎ কাশি হতে পারে সেটি হল জিইআরডি বা গ্যাস্ট্রোইসোফেগাল রিফ্লাক্স ডিজি়জ়। অর্থাৎ পেটের ভিতর যে গ্যাস্ট্রিক জুস বা পাচক রস থাকে, তা শোয়ার পর উপরের দিকে উঠে আসে আর গলার কাছে জমে। তা থেকেও শিশুদের অস্বস্তি হয়, কাশি শুরু হয়। এ ক্ষেত্রে শিশুরা অনেক সময় কাশতে কাশতে বমিও করে ফেলে।দুই ধরনের সমস্যার চিকিৎসা কিন্তু আলাদা। তাই রাতের দিকে শিশু মাঝেমধ্যেই কেশে উঠলে তা স্বাভাবিক ভেবে ফেলে রাখবেন না। চিকিৎসকের পরামর্শ মেনেন সঠিক সময় ওষুধ না নিলে সমস্যা বেড়ে বড় আকার নিতে খুব বেশি সময় লাগবে না।

You might also like!