Health

1 hour ago

Brain Health Tips: মস্তিষ্ক ভালো রাখতে কঠিন কাজই সব নয়, প্রতিদিনের ছোট অভ্যাসেই মিলতে পারে বড় উপকার

Brain Health Tips
Brain Health Tips

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: অনেকেই মনে করেন, মস্তিষ্ককে তীক্ষ্ণ ও সক্রিয় রাখতে হলে সব সময় জটিল বা কঠিন কাজের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত রাখা দরকার। কিন্তু স্নায়ুবিজ্ঞানী ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধারণা পুরোপুরি সঠিক নয়। বরং প্রতিদিনের সহজ ও ছোট ছোট অভ্যাসই দীর্ঘদিন মস্তিষ্ককে সচল ও সতেজ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।

∆ চলুন জেনে নিই এমন ৩টি কাজ কী কী?

১. দিনের মধ্যে কিছুটা সময় ফাঁকা রাখা:  সারাটা দিন ব্যস্ততার মধ্যে কাটান?মিটিং,অফিসের কাজ,বাড়ির কাজ, ফোনের মতো নানা দায়িত্ব আপনার ঘাড়ে।কিন্তু চিকিৎসকদের মতে,মস্তিষ্কেরও বিশ্রাম দরকার। এই কারণেই প্রতি দিন নিজের সময়সূচির মধ্যে কিছুটা সময় ফাঁকা রাখা উচিত।এই সময়ে কোনও নির্দিষ্ট কাজ করলে চলবে না।কখনও বাড়ির বাগানে বা ছাদে অথবা বারান্দায় বসে প্রকৃতি দেখুন, কখনও বা শান্ত ভাবে বসে ভাবুন বা কিছু কিছু চিন্তাভাবনা ডায়েরিবন্দি করুন।মোট কথা, কোনও নির্দিষ্ট কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখবেন না সেই সময়টায়। এই ধরনের সময় মস্তিষ্ককে নতুন ভাবে ভাবতে সাহায্য করে। এতে সৃজনশীলতা বাড়ে এবং মানসিক ক্লান্তিও অনেকটা কমে যায়।

২. বাদ্যযন্ত্র শেখা ও অনুশীলন করা:  মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখতে হলে তাকে নিয়মিত কাজ দিতে হয়। কিন্তু সে কাজের মধ্যেও জটিলতা থাকবে না। এমন কাজ, যা আনন্দ দেবে। ধরা যাক, ছোটবেলারই কোনও একটি অভ্যাস আবার শুরু করা। গান শেখা বা গান করা অথবা বাদ্যযন্ত্র বা নাচের অনুশীলন শুরু করতে পারেন। এর পাশাপাশি মাঝে মাঝেই ধাঁধা বা পাজ়লের সমাধান করাও খুব উপকারী। এ ধরনের কাজ স্মৃতিশক্তি, মনোযোগ এবং যুক্তিবোধ বাড়াতে সাহায্য করে। মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশকে সক্রিয় রাখতেও সাহায্য করে।

৩. শ্বাস-প্রশ্বাসের সহজ অনুশীলন করা:  মানসিক ক্লান্তি বা মনোযোগ কমে গেলে সহজ শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুশীলন করতে পারেন। এক বার একটি নাসারন্ধ্র দিয়ে শ্বাস নিন, তার পর অন্যটি দিয়ে ছাড়ুন। এই নিয়মে কয়েক মিনিট শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুশীলন করলে শরীর ও মন অনেকটাই শান্ত হয়। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, এই ধরনের শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুশীলন মানসিক চাপ কমাতে এবং মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করতে পারে।

মনোরোগ চিকিৎসকদের মতে, দৈনন্দিন জীবনে ছোট ছোট আনন্দদায়ক কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকলে মস্তিষ্ক সতেজ থাকে এবং মানসিক ক্লান্তিও কম অনুভূত হয়। তাই মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখতে জটিলতার চেয়ে নিয়মিত ছোট ইতিবাচক অভ্যাসই হতে পারে সবচেয়ে কার্যকর উপায়।


You might also like!