
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রথম বার এমন ঘটনা ঘটল,বাংলাদেশের বিরুদ্ধে টাইম্ড আউট হয়েছেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথেউজ।স্বাভাবিক ভাবেই এই ভাবে আউট হওয়া মেনে নিতে পারছেন না শ্রীলঙ্কার অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার। তিনি জানালেন যে, তাঁর কাছে প্রমাণ রয়েছে। ছবি দেখিয়ে প্রমাণ দিলেন যে, তিনি আউট ছিলেন না।
সোমবার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কা। এই দুই দল মুখোমুখি হলেই ক্রিকেটের সঙ্গী হয় বিতর্ক। ক্রিকেটবিশ্ব নতুন ধরনের একটা আউট দেখল। মাঠে ব্যাটার দেরি করে নামার অভিযোগে আউট চাইল ফিল্ডিং দল। নিয়ম মেনে আউট দিলেন আম্পায়ারও।উল্লেখ্য, সোমবার শ্রীলঙ্কার সাদিরা সমরবিক্রম আউট হওয়ার পরে খেলতে নামেন ম্যাথেউজ। নির্ধারিত সময়েই মাঠে নেমেছিলেন। কিন্তু ব্যাট করতে যাওয়ার আগে হেলমেট পরার সময় ম্যাথেউজের হেলমেটের স্ট্র্যাপ ছিঁড়ে যায়। ফলে তিনি নিজের দলের ডাগআউটের দিকে ইঙ্গিত করে বিকল্প একটি হেলমেট আনতে বলেন। সেই হেলমেট আনতে যে সময় লাগে, তার মাঝেই আম্পায়ারের দ্বারস্থ হন শাকিব। দাবি করেন, নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গিয়েছে। তা হলে কেন ম্যাথেউজকে আউট দেওয়া হবে না? আম্পায়ার আউট দিয়ে দেন।
সোমবারের ঘটনা প্রসঙ্গে ম্যাথেউজ সমাজমাধ্যমে লেখেন, “চতুর্থ আম্পায়ার ভুল সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে যে, আমার হেলমেটের স্ট্র্যাপ ছিঁড়ে যাওয়ার আগে ৫ সেকেন্ড ছিল। আমার মনে হয় সুরক্ষা সবার আগে। হেলমেট ছাড়া ব্যাট করা উচিত হত না।”
আম্পায়ারের দেওয়া আউটের সিদ্ধান্ত মানতে পারছেন না ম্যাথেউজ। তিনি সমাজমাধ্যমে দু’টি ছবি পোস্ট করে দেখান যে, সমরবিক্রম আউট হওয়ার পর থেকে তাঁর স্ট্র্যাপ ছিঁড়ে যাওয়া পর্যন্ত ১ মিনিট ৫৫ সেকেন্ড সময় লেগেছিল। অর্থাৎ ৫ সেকেন্ড সময় ছিল ম্যাথেউজের কাছে। কিন্তু স্ট্র্যাপ ছিঁড়ে যাওয়ায় তিনি ব্যাট করতে পারছিলেন না। সেই ছবি পোস্ট করে ম্যাথেউজ লেখেন, “ক্যাচ নেওয়া এবং আমার হেলমেটের স্ট্র্যাপ ছিঁড়ে যাওয়ার মধ্যে কতটা সময় লেগেছিল তার প্রমাণ রইল।”
আইসিসি-র নিয়ম বলছে, একজন ব্যাটার আউট হওয়া বা অবসৃত হওয়ার ২ মিনিটের মধ্যে নতুন ব্যাটার অথবা নন-স্ট্রাইকারকে এসে বল খেলার জন্যে তৈরি থাকতে হয়, যদি না আগে থেকে নতুন ব্যাটার আম্পায়ারের কাছে ‘টাইম’-এর আবেদন করে থাকেন। এই নিয়ম না মানা হলে, সংশ্লিষ্ট ব্যাটারকে ‘টাইম্ড আউট’ দেওয়ার অধিকার রয়েছে আম্পায়ারের।
