
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ ধনধান্য অডিটোরিয়ামে খেলাশ্রী প্রকল্পে আওতায় বিভিন্ন ক্রিড়াবিদদের বৃহস্পতিবার সম্মানিত করেন মুখ্যমন্ত্রী। এছাড়াও রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের অফিসারদের শৌর্য পদকে সম্মানিত করেন তিনি। পাশাপাশি ১৫৬৭ জন বাংলার বিশিষ্ট প্রাক্তন ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব, যাঁরা জাতীয় স্তরে ও আন্তর্জাতিক স্তরে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন, তাঁদের অবদানকে স্বীকৃতি দিয়ে মাসিক সাম্মানিক হিসেবে ভাতা প্রদান প্রকল্পেরও আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরে।
৭২ জনকে সম্মাননা জানান মাননীয়া। তবে মোট মোট ৩২২ জন ক্রীড়াবিদকে সম্মাননা জানানো হবে। ন্যাশনাল গেমস, এশিয়ান গেমস, ন্যাশনাল প্যারালিম্পিক্সে কৃতী ৩২২ জন ক্রীড়াবিদকে আজ প্রায় ৬ কোটি ৪২ লাখ ৫০ হাজার টাকার সম্মাননা জ্ঞাপন করা হল। উল্লেখ্য বাংলার সরকার খেল সম্মান, বাংলার গৌরব, ক্রীড়াগুরু, জীবনকৃতি পুরষ্কারের মত না না সন্মান প্রদান করে থাকে। এখনও পর্যন্ত ৪৬০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এই সম্মান প্রদান করা হয়েছে।
মাননীয়া এদিন অনুষ্ঠান থেকে ঘোষনা করেন ১৫৬৭ জন বিশিষ্ট অবসরপ্রাপ্ত ক্রীড়াবিদদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসে এক হাজার টাকা করে সাম্মানিক যাবে। আজ থেকেই তা চালু হয়ে গেল। ১ সেপ্টেম্বর থেকে তাঁরা এই সাম্মানিক পাবেন। চার মাসের সাম্মানিকও আজ চলে যাবে তাঁদের কাছে।এর সাথে সাথে তিনি আরো বলেন অনেক ক্রীড়াবিদকে আমরা পুলিশে চাকরি দিয়েছি। বিশেষ করে রাজ্যের পিছিয়ে পড়া এলাকার ছেলেমেয়েদের খেলাধুলোর জগতে নিয়ে আসার জন্য, জঙ্গলমহল কাপ, সৈকত কাপ, রাঙামাটি কাপ, সুন্দরবন কাপ-সহ বিভিন্ন টুর্নামেন্ট আমরা করি। রানার্স ও উইনার্সদের পুলিশে চাকরি দিই। ইতিমধ্যেই সরকার প্রায় ৪,৩০০ জন খেলোয়াড়কে চাকরি প্রদান করেছে।
প্রসঙ্গত, ফিফা যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন ঘুরে দেখে বলে গিয়েছিল, বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ক্রীড়াঙ্গন।এছাড়াও বাঙালি তথা কলকাতা মাঠের গর্ব ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান ও মহামেডানকেও সরকার বিভিন্নভাবে সাহায্য করছে। তাদেরও পরিকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য প্রায় ২৮ কোটি টাকা সাহায্য প্রদান করেছে রাজ্য সরকার ।
