
লখনউ, ১ মে: আইপিএল-এ রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু একটা দুর্ভাগা দল। গত পনেরো বছরেও ভালো দল করেও চ্যাম্পিয়ন হতে পারল না। এবারেও ঠিক তাই। দল কখনো ভালো খেলছে আবার কখনো খারাপ খেলছে। বলতে গেলে ধারাবাহিকতা একেবারেই নেই। অথচ এই দলে প্রতিভা কিংবা দক্ষতার অভাব নেই। ব্যাটিং অর্ডারের ক্ষেত্রে বলা যায় ফাফ ডুপ্লেসি, বিরাট কোহলি, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল আউট হলেই কার্যত ব্যাটিং অর্ডার শেষ আরসিবির। বোলিংয়ের ক্ষেত্রে ধারাবাহিক ভালো পারফর্ম করছেন শুধু যা মহম্মদ সিরাজ। বোলিং লাইন আপে বাকিদের ওপর ভরসা নেই আরসিবি শিবিরের। সবচেয়ে বিরক্তিকর পরিস্থিতি তাদের ফিল্ডিং। এই কারণে বেশ কিছু জেতা ম্যাচও হেরেছে আরসিবি। আর তাই লখনউতে পৌঁছে সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে খেলতে নামার আগে মুখে হাঁসি নেই কোহেলিদের।
এবারের আইপিএলে এখনও অবধি ৮টি ম্যাচ খেলেছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। এর মধ্যে ৪টি জয়। এর মধ্যে দুটো ক্লোজ ম্যাচে। এই ক্লোজ ম্যাচের একটি হল আজকে যাদের মুখোমুখি হবে সেই লখনউ সুপার কিংস। লখনউয়ের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে বিশাল স্কোর গড়লেও তা ডিফেন্ড করতে ব্যর্থ আরসিবি। শেষ বলে বাই রান নিয়ে রুদ্ধশ্বাস জয় ছিনিয়ে নেয় লখনউ সুপার জায়ান্টস। গত ম্যাচে ঘরের মাঠে কলকাতা নাইট রাইডার্সের কাছেও হেরেছে আরসিবি। বিরাট কোহলি ক্রিজে থাকা অবধি জয়ের স্বপ্ন দেখছিল আরসিবি। তিনি আউট হতেই আরসিবি শেষ।
লখনউ সুপার জায়ান্টসও ধারাবাহিক নয়। তবে বেশ কিছু রুদ্ধশ্বাস জয় ছিনিয়ে নিয়েছে তারা। আরসিবির মতো তারাও ৮টি ম্যাচ খেলেছে। জয় পাঁচটিতে। গত ম্যাচে পঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ৫৫ রানের বিশাল ব্যবধানে জিতেছে লখনউ। সেই সঙ্গে এই ম্যাচে ২৫৭ রান তুলে রেকর্ডও করেছে। রেকর্ডে তারা দ্বিতীয়। অল্পের জন্য আইপিএলের ইতিহাসে সর্বাধিক স্কোরের রেকর্ড আরসিবির করা ২৬৩ রান ভাঙতে পারেনি। তবে দ্বিতীয় দল হিসেবে গত ম্যাচে ২৫০-র গণ্ডি পেরিয়েছে লখনউ। ব্যাটিংয়ে তাদের ভরসা কাইল মেয়ার্স, মার্কাস স্টইনিস, নিকোলাস পুরানরা। এরা রয়েছে বিধ্বংসী ফর্মে। তবে আজ লখনউয়ের পিচ মন্থর। হাইস্কোরিং ম্যাচের সম্ভাবনা ক্ষীণ।
