
আমেদাবাদ, ১৪ অক্টোবর: আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামের পিচ ব্যাটসম্যানদের কাছে স্বর্গ । এই পিচে বরাবরই প্রচুর রান হয়। বল সহজেই ব্যাটে আসে। ফলে বোলাররা এই পিচ থেকে যদি সাহায্য আশা করেন তা ভুল হবে। এই পিচে উইকেট পেতে হলে বোলারদের নিজস্ব দক্ষতা দেখাতেই হবে। তবে ম্যাচের শুরুর দিকে পেসাররা সুবিধা পান এবং ম্যাচ যতটা এগিয়ে যায় ততই স্পিনাররা সুবিধা পান। বড় বাউন্ডারি ও স্লো পিচ দুটো বোলারদের পক্ষে যায়।
প্রথম ম্যাচে দেখা গিয়েছে ডেভন কনওয়ে ও রাচিন রবীন্দ্রর দাপট। ব্যাট হাতে তাঁরা শাসন করেছেন ইংল্যান্ডকে। অন্যদিকে শক্তিশালী ইংল্যান্ড সেভাবে কিছুই করতে পারেনি। সেটাই এই ম্যাচেও হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
টস ফ্যাক্টর: নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে টস বরাবরই একটা ফ্যাক্টর। যে দল টস জেতে তারা সবসময় প্রথমে ব্যাট নেওয়ার চেষ্টা করে। ফ্রেশ পিচে বল ভালো ব্যাটে আসে। পরের দিকে পিচ স্লো হওয়ায় স্পিনাররা সুবিধা করতে পারেন, বড় বাউন্ডারি হওয়ায় দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করা ব্যাটারদের অসুবিধা হবে। ক্যাচ আউট হওয়ার সম্ভবনা বেশি থাকছে এই ম্যাচে। সব মিলিয়ে আমেদাবাদের পিচে সমস্যায় পড়তে পারে পাকিস্তান।
