
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ নতুন বছরের শুরু থেকে টাইট সিডিউল রয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট দলের। নতুন বছরের মাঝামাঝি সময় অর্থাৎ জুনে টি-২০ বিশ্বকাপ। অন্যদিকে মার্চ থেকে এপ্রিল পর্যন্ত চলবে আইপিএল। এর মধ্যে ৭৭ দিনে মোট ৭টি টেস্ট খেলবে টিম ইন্ডিয়া। হ্যাঁ ঠিকই পড়েছেন। চলতি আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতীয় দলের ঠাসা ক্রীড়াসূচি সামনে এসেছে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে বক্সিং ডে টেস্ট থেকে মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহ চলা পর্যন্ত ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের সূচি এখনও পর্যন্ত সামনে এসেছে। এর ফলে রোহিত শর্মা ,বিরাট কোহলিদের উপর চাপ বাড়বে সেটা নিয়ে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই।
বিশ্বকাপের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে হারের ক্ষত এখনও ভুলতে পারেনি ভারতীয় দল। এরই মধ্যে এমন ঠাসা ক্রীড়াসূচি। ৭৭ দিনে ৭টি টেস্ট খেলতে হলে, ম্যাচের আগে ও পরে এক ভেন্যু থেকে অন্য ভেন্যুতে যাতায়াত এবং অনুশীলনের জন্য আরও ১৫-২০ দিন সময় ব্যয় করতে হবে। এর সঙ্গে থাকবে ক্রিকেটারদের চোট-আঘাত এবং ফর্ম হারানোর ইস্যু। ব্যাপারটা বেশ কঠিন। সেটা হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড় বেশ বুঝতে পেরেছেন। এবং মেনে নিয়েছেন, যে আগামী কয়েক মাসে তাঁর দলের ক্রিকেটারদের কঠিন পরীক্ষা দিতে হবে।
প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে নামার আগে ‘দ্য ওয়াল’ বলেন, “বিশ্বকাপের ফাইনালে হারের ক্ষত ভুলে যাওয়া এত সহজ নয়। তবে আমাদের এগিয়ে যাওয়া ছাড়া অন্য কোনও উপায় নেই। আগামী কয়েক মাসে একাধিক টেস্ট খেলতে হবে। দক্ষিণ আফ্রিকা ও ইংল্যান্ড খুবই কঠিন প্রতিপক্ষ। যদিও ছেলেরা দুটি টেস্ট সিরিজে ভাল পারফরম্যান্স করার জন্য মুখিয়ে রয়েছে। তাই আমরা শুধু খেলায় মন দিতে চাই। বাইরের জগতে কী ঘটছে সেটা নিয়ে ভেবে লাভ নেই।”
নতুন বছরের ৩ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্ট। সেই সিরিজ শেষ হতেই রশিদ খানের আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ৩ ম্যাচের টি-২০ সিরিজ খেলতে নামবে ‘মেন ইন ব্লু’ ব্রিগেড। ১১ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে সেই সিরিজ। চলবে ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত। এর পর ২৫ জানুয়ারি থেকে ফের লাল বলের ক্রিকেটে নেমে পড়বে ভারতীয় দল। পাঁচ ম্যাচের সেই টেস্ট সিরিজ চলবে ১১ মার্চ পর্যন্ত। ফলে তারকাখচিত টিম ইন্ডিয়াকে যে ব্যাপক চাপের মুখে পড়তে হবে সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
