Breaking News
 
Supreme Court Order: আদালতের খবর প্রকাশে বাধা নেই, তবে অডিও-ভিডিও ক্লিপে নিষেধাজ্ঞা, সংবাদমাধ্যমকে স্পষ্ট বার্তা সুপ্রিম কোর্টের Nadia Zilla Parishad: তৃণমূলের ‘বিবেক ভোটে’ বড় চমক! মাত্র ৬ সদস্য নিয়েই নদিয়া জেলা পরিষদ দখলে বিজেপি Panchayat tax fake news: পঞ্চায়েত কর ১২০০ টাকা? জল্পনায় জল ঢালল রাজ্য, ভুয়ো খবর নিয়ে সতর্কতা জারি Cockroach Janata Party: নিট আন্দোলনের পর এবার রাজনীতির ময়দানে? বড় ইঙ্গিত ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা দীপকের Adhir Ranjan Chowdhury: ‘চিকিৎসা কোথায় হবে, তা ব্যক্তির সিদ্ধান্ত’—অভিষেকের পাশে অধীর, ‘খোকাবাবু’ মন্তব্যে নতুন বিতর্ক Agnimitra Paul: প্রলোভন দেখিয়ে স্কুল পড়ুয়াদের রক্তদান! দুর্গাপুরে অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য, সরব অগ্নিমিত্রা পাল

 

Festival and celebrations

11 months ago

Gram Banglar Durga Puja: আগুনবাজারে খরচ কম, ভাঙা টিনেই ভরসা অস্ত্র গড়ায়!

Durga Puja
Durga Puja

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: অশুভের সংহার করতে দশ হাতে অস্ত্রে সজ্জিত দশভূজা আজ কেবল টিনের অস্ত্রে দেখা যাচ্ছে। দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধি ও বাজারের বাস্তবতায় মৃন্ময়ী থেকে চিন্ময়ী রূপ দিতে পূজোয়ীরা টিনের অস্ত্র ব্যবহার করছেন। পুরুলিয়া, বাঘমুণ্ডি থেকে কলকাতার কুমোরটুলি ও বড়বাজার—সব জায়গাতেই টিনের অস্ত্রের চাহিদা। তবে গুণমান অনুযায়ী দামও ৫ থেকে ২৫ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে। এতে মৃৎশিল্পীদের অবস্থা নাজুক হয়ে পড়েছে। পূজার আড়ম্বর ছাপিয়ে বাস্তবতার ছোঁয়া এভাবেই ফুটে উঠছে।

তবে কি শুধু ভাঙা টিনেই? না, বরং এই ভাঙা টিনকে এড়াতেই বিভিন্ন মণ্ডপ বা বাড়ির পুজোতে মায়ের দশ অস্ত্র পিতলের কিনে নিয়েছেন। বিসর্জনের সময় নদীতে বা গঙ্গায় যা ভাসান দেওয়া হয় না। মায়ের কাঠামো, পাটাতনের মতোই তা আবার ফিরিয়ে আনা হয়। আবার অনেক বড় বড় পুজো কমিটির মায়ের হাতে থাকা পিতলের অস্ত্র জলে মিশে যায়। নতুন করে কেনা হয় ফি বছর। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মৃৎশিল্পীরা ওই ভাঙা টিন দিয়ে তৈরি অস্ত্রশস্ত্রেই দেবীকে সাজিয়ে তোলেন। আর যারা এই সাজসজ্জা-র ব্যবসা করেন তারা

কুমোরটুলি, বড়বাজার থেকে ভাঙা টিন দিয়ে তৈরি অস্ত্র নিয়ে গিয়ে জেলায় নিজেদের দোকানে বিক্রি করে থাকেন। সেখান থেকেও মৃৎশিল্পীরা ওই অস্ত্র সংগ্রহ করেন। তেমনই অনেক মৃৎশিল্পী যাদের প্রচুর বরাত আসে তারা অবশ্য এইসব কেনাকাটা করতে কুমোরটুলিতে চলে যান। এখন এই প্যাকেজিং-র দুনিয়ায় দশভূজার দশ অস্ত্রও এক প্যাকেজের আওতায়। শ্রীবিষ্ণুর দেওয়া চক্র, মহাদেবের দেওয়া ত্রিশূল, বরুনের দেওয়া শঙ্খ, দেবরাজ ইন্দ্রের বজ্র , যমরাজের গদা বা কালদন্ড, পবনের দেওয়া তীর-ধনুক, তলোয়ার, ঘন্টা, ব্রহ্মার দেওয়া পদ্ম ও শেষনাগের দেওয়া সাপ এক প্যাকেটেই বন্দি।

একেবারে সাধারণ প্যাকেটবন্দি এই দশ অস্ত্র ৬০ টাকা থেকে ২১০ টাকায় জেলার সাজসজ্জা দোকানগুলিতে বিক্রি হচ্ছে। যে ভাঙা টিনের গুণগতমান ভালো। সেই প্যাকেটের দাম রয়েছে ৭৫০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত। বাঘমুন্ডির ছৌ মুখোশ গ্রাম চড়িদার সাজসজ্জা দোকানের মালিক স্বপন রায় বলেন, ” দেবীর হাতে থাকা এই অস্ত্রশস্ত্রের নানান দাম আছে। গুণগত মান অনুযায়ী দাম হয়। এই দশ রকম অস্ত্র ও গণেশ, কার্তিকের হাতে যা থাকে। সেইসঙ্গে সরস্বতীর বীনা ও লক্ষ্মীর পদ্মফুলও এক প্যাকেটেই বিক্রি হয়। খুব সাধারনের দাম জেলার বাজারগুলিতে ৬০ থেকে ২১০ টাকা। এর চেয়ে ভালো ৭৫০ থেকে ৯০০ টাকায় আমরা পুরুলিয়াতে বিক্রি করে থাকি। তবে এর চেয়েও ভালো আছে। তার দাম ১২oo টাকা। তা অবশ্য এই জেলায় বিশেষ বিক্রি হয় না।”

দেবীর এই অস্ত্র সমূহের বিভিন্ন নম্বর থাকে। মূর্তির উচ্চতা যেমন হয় সেই অনুযায়ী নম্বর দেওয়া। একেবারে সাধারণ এক নম্বর দেওয়া প্যাকেট করা অস্ত্রশস্ত্র ২ ফুটের প্রতিমার জন্য দরকার হয়। দু’নম্বর তিন ফুটের। তিন থেকে পাঁচ নম্বর পর্যন্ত তিন থেকে সাড়ে চার ফুট প্রতিমার প্রয়োজন হয়। ৫ ফুট প্রতিমার জন্য ৬, ৭, ৮ নম্বরের প্যাকেটিং করা অস্ত্র প্রয়োজন। যা বিক্রি হয়ে থাকে যথাক্রমে ১১০, ১২০ ও ১৩০ টাকায়। সাড়ে পাঁচ ফুট থেকে ছয় ফুট প্রতিমার জন্য ৯ এবং ১০ নম্বরের। যার দাম ১৫০ থেকে ১৯০ টাকা। আর সাত থেকে ন’ফুট দুর্গার প্রতিমার জন্য ১১-১২ নম্বর প্যাকেট প্রয়োজন হয়। যা বিক্রি হয় ১৯০ থেকে ২১০ টাকায়। আর গুণগতমান ভালো সেই এক নম্বর মূলত ৫ থেকে ৮ ফুট পর্যন্ত দুর্গা প্রতিমার। দাম ৭৫০ টাকা। ওই দু’নম্বর প্যাকেট প্রয়োজন হয় ৮ থেকে ১০ ফুট উঁচু দুর্গার জন্য। দাম ৯৫০। 

ছোট বা বেশি বড় নয় এমন দুর্গা প্রতিমার জন্য পিতলের অস্ত্রশস্ত্রের দাম ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা। এটাও মেলে কুমারটুলিতে। তবে সেখানে কিছুটা সস্তায়।

You might also like!