Breaking News

 

Entertainment

1 hour ago

Cannes Diaries: কান উৎসবে আলিয়াকে ঘিরে ট্রোলিং, অভিনেত্রীর পাশে দাঁড়িয়ে ক্ষোভ প্রকাশ আমিশা প্যাটেলের

Ameesha Patel calls out trolls over Alia Bhatt backlash
Ameesha Patel calls out trolls over Alia Bhatt backlash

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  সম্প্রতি  কান চলচ্চিত্র উৎসবের রেড কার্পেটে হাঁটতে দেখা যায় বলিউড অভিনেত্রী আলিয়া ভাটকে। তবে সেই মুহূর্ত ঘিরেই সমাজমাধ্যমে শুরু হয় বিতর্ক। নেটিজেনদের একাংশ দাবি করেন, আন্তর্জাতিক মঞ্চে নাকি পাপারাজ্জিদের তরফে ‘উপেক্ষিত’ হয়েছেন অভিনেত্রী। এরপর থেকেই ট্রোলিংয়ের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। যদিও অনেক অনুরাগী আবার অভিনেত্রীর পাশে দাঁড়িয়ে সমর্থন জানিয়েছেন।

এবার এই প্রসঙ্গে সরব হলেন আমিশা প্যাটেল। সমাজমাধ্যমে একটি দীর্ঘ পোস্ট করে ভারতে তারকাদের প্রতি নেতিবাচক মনোভাবের সমালোচনা করেন তিনি। যদিও কোথাও সরাসরি আলিয়া ভাট-এর নাম উল্লেখ করেননি, তবুও নেটপাড়ার অনেকেই মনে করছেন, আলিয়াকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্কের দিকেই ইঙ্গিত করেছেন অভিনেত্রী। নিজের পোস্টে আমিশা প্যাটেল লেখেন,  ‘সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ পরিষ্কার ভাবে দেখিয়ে দিয়েছে যে, আমাদের ভারতীয় মানসিকতাই এখন অন্যদের হেয় করার দিকে ঝুঁকে পড়েছে... আমরা নিজেদেরকে এক জাতি এবং ঐক্যবদ্ধ বলি, কিন্তু আমরা কি আসলেই তাই?’ 


Alia Bhatt at Cannes

অভিনেত্রীর মতে, বড় কোনও আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে কোনও ভারতীয় তারকা অংশ নিলেই তাঁর পোশাক, চেহারা কিংবা উপস্থিতি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়ে যায়। এই প্রবণতাকে অত্যন্ত দুঃখজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এই প্রেক্ষাপটে তিনি লেখেন, ‘হলিউড তারকারা তাঁদের দেশে নিজেদের মানুষের দ্বারা যতটা ট্রোলড হন, তার থেকেও বেশি ট্রোলড হন ভারতের অভিনেতারা আমাদের নিজেদের মানুষের কাছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক! বড় কোনও অনুষ্ঠানে একজন ভারতীয় তারকার চেহারা বা পোশাক যাই হোক না কেন, দুঃখজনক ভাবে তাঁরা নিজেদের মানুষেরই টার্গেটে পরিণত হন! কী লজ্জার কথা!’

এরই মধ্যে ভাইরাল হয়েছে আলিয়া-এর একটি পাল্টা প্রতিক্রিয়া। কান উৎসবের একটি ছবি পোস্ট করার পর এক নেটিজেন মন্তব্য করেছিলেন, “খুবই দুঃখের বিষয়, আপনাকে কেউ খেয়ালই করেনি।” সেই মন্তব্যের জবাবে আলিয়া লেখেন, “দুঃখ কেন? আপনি তো আমাকে খেয়াল করেছেন।” অভিনেত্রীর এই সংযত ও বুদ্ধিদীপ্ত উত্তরের প্রশংসা করেছেন বহু অনুরাগী। এই বিতর্কে মেয়ের পাশে দাঁড়িয়েছেন সোনি রাজদানও। সমাজমাধ্যমে তিনি লেখেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়া অনেক কিছুতে পরিপূর্ণ, ভালোবাসা, তথ্য, বিনোদন এবং... প্রচুর ঘৃণা। আর অন্য সব কিছুর চেয়ে বড় কথা হল, এটি সমাজ সম্পর্কে অনেক কিছু প্রকাশ করে। এর ফলে একটি অত্যন্ত আকর্ষণীয় সমাজতাত্ত্বিক আলোচনা শুরু হতে পারে এবং আগামী বহু বছর ধরে তা নিয়ে আলোচনা ও গবেষণা চলতে পারে।’ 

You might also like!