
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:বিধানসভায় নবনির্বাচিত বিধায়কদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে শাসক ও বিরোধী দুই শিবিরের সদস্যরাই উপস্থিত ছিলেন। বুধবার শপথ নেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক হুমায়ুন কবীরও, যিনি নওদা ও রেজিনগর কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন। শপথের দিন তিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জন্য মিষ্টি উপহার নিয়ে হাজির হন। ভোটের আগে তৃণমূল ছেড়ে নিজস্ব দল গঠন করেছিলেন হুমায়ুন কবীর।
নির্দিষ্ট সময়েই এদিন বিধানসভায় চলে আসেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর। মুর্শিদাবাদের জিভে জল আনা মনোহরা ও একাধিক মিষ্টি উপহার হিসেবে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জন্য নিয়ে এসেছেন তিনি। শুভেন্দুকে ‘ভালো লোক’ বলেও সম্বোহন করেছেন তিনি। হুমায়ুন বলেন, “মনোহরা হল মনের আরাম, মনের প্রাণ। তাই নিয়ে এলাম। রাজনৈতিক কচকচি অনেক হয়েছে। এবার একটু মিষ্টিমুখ করতে হবে।” শাসক-বিরোধী সকলের জন্যই মিষ্টি আনা হয়েছে সেই কথাও বিধায়ক জানিয়েছেন। তবে মনোহরা দোকানে শেষ হয়ে গিয়েছিল বলে সংখ্যায় কম এনেছেন, সেই কথাও বলেছেন।
বিধানসভায় নওদার বিধায়ক হিসেবে এদিন শপথ নিলেন তিনি। সংবিধান অনুসারে একটি কেন্দ্র থেকেই তিনি বিধায়ক থাকতে পারেন। একটি কেন্দ্র তাঁকে ছাড়তে হবে। এদিন মুর্শিদাবাদের এই নেতা জানিয়েছেন, নওদা কেন্দের বিধায়ক হিসেবে তিনি শপথবাক্য পাঠ করলেন। রেজিনগর আসনে ফের নির্বাচন হবে। ওই কেন্দ্রে হুমায়ুনের ছেলে গুলাম নবী আজাদ ভোটে দাঁড়াবেন। সেই কথাও তিনি এদিন জানিয়েছেন। গুলাম নবী আজাদ কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন ছেলের জন্ম, তাই তাঁর নামেই ছেলের নাম রাখা হয়। ডাক নাম রবিন। ছেলের জন্মদিন ২৫ বৈশাখ। সেজন্য রবিন ডাক নাম রাখা, সেই কথাও জানা গিয়েছে।
এদিন হুমায়ুন কবীর গলায় দুটি আইডি কার্ড ঝুলিয়ে বিধানসভায় গিয়েছিলেন। যাতে উপনির্বাচন দ্রুত হয়, সেজন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করেছেন। হুমায়ুনের কথায়, “নতুন দল তৈরি করে দুটো আসনে জয়ে আনন্দ অনেক বেশি।” আরও বলেন, দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বাংলার মানুষ নামিয়ে দিয়েছে। সেজন্য বাংলার মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।
