
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ ফেসবুক লাইভ চলাকালীনই শিব সেনার উদ্ধব শিবিরের নেতা অভিষেক ঘোষলকরের দিকে তাক করে চালানো হল গুলি। এরপর হামলাকারী সেই বন্দুক নিজের দিকেই ঘুরিয়ে গুলি করেন। মৃত্যু হয় দুজনেরই। ঘটনায় ছড়িয়েছে তীব্র চাঞ্চল্য।
গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে প্রশ্নের মুখে মহারাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। একনাথ শিন্ডে-দেবেন্দ্র ফড়নবিসের পদত্যাগের দাবিতে সরব হয়েছে বিরোধীরা।
উদ্ধব সেনার মুখপাত্র আনন্দ দুবে বলেছেন, একনাথ শিন্ডে-দেবেন্দ্র ফড়নবিসের মহারাষ্ট্রে কেউ নিরাপদ নয়। একজন জনপ্রতিনিধি যদি নিরাপদ না থাকে, তাহলে জনগণের অবস্থা কী হবে? সরকার কি ভয়ের পরিবেশ তৈরি করছে?"
মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মন্ত্রী আদিত্য ঠাকরে বলেছেন, মহারাষ্ট্রে "আইনশৃঙ্খলার সম্পূর্ণ পতন ঘটেছে।" উদ্ধব সেনা নেতা সঞ্জয় রাউত বলছেন, "সরকার পেশিপালকে লালন-পালন করছে। আমরা তার প্রমাণ দেখলাম।"
অভিষেক ছিলেন বিনোদ গোশালকরের ছেলে, যিনি উদ্ধবের দলের একজন পুরানো সময়ের নেতা। তিনি মুম্বই বিল্ডিং মেরামত ও পুনর্গঠন বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন। ওয়ার্ডটি মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত হওয়ার পর অভিষেকের স্ত্রীও কর্পোরেটর হিসাবে কাজ করেছিলেন। সূত্রের খবর, এই নিয়ে মৌরিস ভাই নামে একজনের সঙ্গে অভিষেকের বিরোধ তৈরি হয়েছিল।
বিরোধ মেটাতেই বৃহস্পতিবার মৌরিস ভাইয়ের অফিসে একটি লাইভ অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন অভিষেক। অনুষ্ঠান চলাকালীনই নিজেদের মধ্যে থাকা পুরনো একটি শত্রুতার প্রসঙ্গ উঠে আসে। এরপরই পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে অভিষেককে পর পর তিনটি গুলি করেন অভিযুক্ত। পরে নিজেও আত্মঘাতী হন। গোটা ঘটনাটি ঘটেছে ফেসবুক লাইভে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এরপরই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সরব হয়েছে বিরোধীরা।
