Breaking News
 
Vivekananda Merit Scholarship :শিক্ষাক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ, মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের জন্য চালু হল বিবেকানন্দ মেরিট স্কলারশিপ Chief Minister Suvendu Adhikari : র্নীতি ও কাটমানি খতিয়ে দেখতে কমিশন গড়লেন শুভেন্দু, সঙ্গে নারী নির্যাতন নিয়েও আলাদা কমিশন CM Suvendu Adhikari starts Janatar darbar : সল্টলেকে বিজেপি দফতরে শুভেন্দুর ‘জনতার দরবার’, জনতার সমস্যা শুনে মিলল স্বস্তি Suvendu Adhikary: “কাশ্মীরে বন্ধ হয়েছে, এখানেও হবে”—পার্ক সার্কাসে দাঁড়িয়ে শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি ,গ্রেফতার ৪০ Suvendu Adhikari :রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড়, আর জি কর ইস্যুতে স্বাস্থ্যসচিবকে জরুরি তলব মুখ্যমন্ত্রীর Annapurna Bhandar : অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার স্কিমে নতুন ঘোষণা, ১ জুন থেকেই ৩ হাজার টাকা পাবেন নির্দিষ্ট উপভোক্তারা

 

Country

2 years ago

The Story of Independence: ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে হারিয়ে যাওয়া দুই আদিবাসী যোদ্ধা

Two tribal warriors lost in India's freedom struggle
Two tribal warriors lost in India's freedom struggle

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন শুধু কয়েকজন নেতার সমাবেশে হয়নি। হয়েছে লক্ষ লক্ষ মানুষের আত্মবলিদানের মধ্য দিয়ে। তাঁদের অনেকের নাম ইতিহাসে সংরক্ষিত কিন্তু অনেকেই হারিয়ে গেছে বিস্মৃতির অতলে। তাঁদেরই দুজন হলেন - বিপ্লবী গোবিন্দ মাহাতো ও চুনারাম মাহাতো। 

ভারত ছাড়ো আন্দোলনে’ শামিল হয়ে মানবাজার ‘থানা-তাড়া’ অভিযানে ব্রিটিশ পুলিশের গুলিতে শহিদ হন। দেশ স্বাধীনের জন্য প্রাণ দেওয়া এই দুই বিপ্লবীর স্মরণে প্রতি বছর ১৩ আগস্ট শহিদ দিবস পালন করে সাবেক মানভূম। এবারও স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে তাঁদের স্মৃতি ফিরে ফিরে আসছে এই বিপ্লবীদের ভিটে মাটিতে। মহাত্মা গান্ধীর ‘ভারত ছাড়ো আন্দোলনে’ সংঘটিত হয়েছিল এই সাবেক মানভূমেও। তাঁর ডাকে সেই আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে ছোটনাগপুর মালভূমিও। তখন এই বনমহল পুরুলিয়া অর্থাৎ সাবেক মানভূম ছিল বিহারে। ব্রিটিশকে হঠাতে সমগ্র দেশ জুড়ে ভারত ছাড়ো আন্দোলনে থানা অভিযানের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। একদিনে প্রায় একই সময়ে অভিযান হওয়ার কথা ছিল সমগ্র দেশেই। ১৯৪২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর। ঠিক হয়েছিল, সকালের আলো ফুটতেই ভোররাতে থানা অভিযানে পুলিশের আগ্নেয়াস্ত্র পুড়িয়ে দিয়ে নথিপত্র নষ্ট করে থানা ভস্মীভূত করা হবে। সেই মোতাবেক বান্দোয়ান, বরাবাজার থানা পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল ভোররাতে। মানবাজার থানা অভিযানে একটু দেরি হয়ে যায়। স্বাধীনতা সংগ্রামী সত্যকিঙ্কর মাহাতোর নেতৃত্বে অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছিল মানবাজার ‘থানা তাড়া’। এখানেই থাকতেন স্বাধীনতা সংগ্রামী গোবিন্দ মাহাতো। মানবাজার এক ব্লকের নাথুরডি গ্রাম।

সেদিন ৫০০ বিপ্লবী থানায় ঢুকে সবাইকে সরে যেতে বলেন। বলেন তাঁরা যেন সরে যান সামনে থেকে। দেশ স্বাধীনের জন্যই তাদের এই অভিযান। ব্রিটিশের অধীনে তারা কাজ করলেও তাঁরা তো এদেশেরই বাসিন্দা। কিন্তু না ওই বিপ্লবীদের কথা শোনেননি ব্রিটিশ কর্মচারীরা।ফলে বিপ্লবীরা বাধার মুখে পড়েন। সেই বাধা সরিয়ে এগিয়ে যেতেন থাকেন তাঁরা তখনই শুরু হয় ব্রিটিশ পুলিশের গুলি বর্ষণ। ১৫০ জন বিপ্লবী কম-বেশি জখম হন। গুরুতর জখম হন চারজন। চুনারাম মাহাতোর বুকে গুলি লেগে সেখানেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। রক্তাক্ত হয়ে যায় মানবাজার থানা চত্বর। গুরুতর জখম গোবিন্দ মাহাতোকে পুরুলিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় তিনিও প্রাণ হারান। ওই ঘটনার পরেও চুনারাম মাহাতোর স্ত্রী মেথিবালা মাহাতো স্বাধীনতার জন্য নিজেকে সঁপে দিয়েছিলেন।

You might also like!