
শান্তিরবাজার (ত্রিপুরা), ১৭ ডিসেম্বর: দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার শান্তিরবাজার থানায় কালীপূজার আনন্দের রেশ এখনও কাটেনি। অভিযোগ, কালীপূজাকে কেন্দ্র করে শান্তিরবাজারের বিভিন্ন জায়গা থেকে চাঁদা আদায় করে থানার একাংশ কর্মী বেশ আমেজের সঙ্গে দিন কাটাচ্ছেন। গুঞ্জন, পূজাকে কেন্দ্র করে শান্তিরবাজারের একটি জায়গা থেকে ৪০ হাজার টাকার মদ নিয়ে আসে থানার পুলিশ।
এ সব কাজের বিরোধিতা করেন ওসি জুলিয়ান ডারলং। এতে ক্ষেপে যান থানায় কর্তব্যরত একাংশ কর্মী। সকলে মিলে ওসিকে কালিমালিপ্ত করতে এবং থানা থেকে তাঁকে সরিয়ে দিতে চলে চক্রান্ত। ওসিকে কালিমালিপ্ত করতে কাজে লাগানো হয় সাব্রুম থানায় কর্তব্যরত এক এএসআইকে।
জানা গেছে, শান্তিরবাজার থেকে হাবিলদার পদে পদোন্নতি পেযে এএসআই হয়ে শান্তিরবাজার থানা থেকে সাব্রুম থানায় যান মরণ বৈদ্য। তিনি সাব্রুম থানায় গেলেও তাঁর পরিবারকে নিয়ে শান্তিরবাজার থানার কোয়ার্টারে রয়েছেন।
এই কোয়ার্টার সম্পর্কে জানতে চাইলে ওসির ওপর আক্রমণ করেন মরণ বৈদ্য, এমনটাই অভিযোগ। অপরদিকে মরণ বৈদ্যের পরিবারের লোকজনের অভিযোগ, ওসি নাকি মদমত্ত অবস্থায় কোয়ার্টারে গিয়ে মরণ বৈদ্যের ওপর আক্রমণ করেন। ওসিকে কালিমালিপ্ত করে থানায় রাজত্ব করার জন্য চক্রান্ত চালাচ্ছে কিছু সংখ্যক কর্মী। তাই নাটক মঞ্চস্থ করে ওসিকে বদনাম করার প্রয়াস চালানো হচ্ছে। তবে ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছি ছি রব উঠেছে।
