Country

1 hour ago

Arunachal Pradesh Encroachment: অরুণাচল সীমান্তে নতুন উদ্বেগ, চিনের আগ্রাসন নিয়ে সরব স্থানীয়রা, কী বলছে সেনা?

Indian Army Rejects Reports of Chinese PLA Camps
Indian Army Rejects Reports of Chinese PLA Camps

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  অরুণাচল প্রদেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) তৎপরতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আপার সুবনসিরি জেলার সীমান্ত সংলগ্ন অঞ্চলে চিনা সেনার গতিবিধি বাড়ার পাশাপাশি ভারতের ভূখণ্ডে অবৈধ দখলের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ। এই অভিযোগ সামনে আসতেই বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এবার সক্রিয় হয়েছে রাজ্য সরকার। অরুণাচলের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মামা নাটুং সোমবার জানিয়েছেন, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হবে। তবে স্থানীয়দের তোলা এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে ভারতীয় সেনা। সেনার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে নজরদারি চালানো হচ্ছে এবং অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় বিষয় খতিয়ে দেখা হবে। 

রাজ্যের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মামা নাটুং সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই ইস্যুতে বলেন, যে অভিযোগ তোলা হয়েছে সে বিষয়ে জেলা প্রশাসনের রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছি আমরা। জেলা প্রশাসন, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় জনগণ এবং পঞ্চায়েত কমিটিগুলোর কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের উপর ভিত্তিতে যাবতীয় পদক্ষেপ করা হবে। যদি সত্যিই কোনও অবৈধ দখল হয়ে থাকে, তবে তা খুবই অন্যায় হবে। এলাকায় আসলে কী ঘটছে তা খুঁজে বের করতে আমরা একটি তদন্ত কমিটি গঠন করব। সরকারের তরফে বিষয়টি নিয়ে তদন্তের আশ্বাস দেওয়া হলেও ভারতীয় সেনা এই অভিযোগ পুরোপুরি খারিজ করেছে। সেনার তরফে এহেন দাবিকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলা হয়েছে। সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ‘আমরা কিছু সংবাদমাধ্যমে এমন প্রতিবেদন দেখেছি যেখানে অভিযোগ করা হয়েছে যে চিনা পিএলএ অরুণাচল প্রদেশে অনুপ্রবেশ করে সেনা ক্যাম্প স্থাপন করেছে। এই প্রতিবেদনগুলো মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন।’ 

উল্লেখ্য, সম্প্রতি অরুণাচলের আদিবাসী সংগঠন ‘নাহ ওয়েলফেয়ার সোসাইটি’ জেলা প্রশাসনের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছে। যেখানে তাঁদের অভিযোগ, গত ৬ বছরের মধ্যে চিনের সেনাবাহিনী তাদের পৈতৃক জমি, চারণভূমির বড় অংশ দখল করে নিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের আরও অভিযোগ, চিন গত ১০-১৫ বছর ধরে ওই এলাকায় ধীরে ধীরে দখলদারি শুরু করেছে। তবে ২০২০ সাল থেকে এই আগ্রাসন ভয়ংকরভাবে বেড়ে গিয়েছে। আপার সুবানসিরির তাকসিং অঞ্চলের ৫টি এলাকায় চিনা আগ্রাসনের তালিকাও তুলে ধরেছে সংগঠনটি। যেগুলি হল, আসাফিলা এলাকায় ওয়িং, পোট্রাং (হ্রদ), মারপান (মারনাফে) অঞ্চল, পানিয়ার (চুজারতা এলাকা) এবং টিনডিনটাং (টিজি)। স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী, এইসব এলাকাগুলি ২০২০ সাল পর্যন্ত তাঁদের দখলে ছিল, কিন্তু বর্তমানে সেখানে চিন সেনা ঘাঁটি গেড়েছে। 

You might also like!