
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ লোকসভা নির্বাচনের আগেই দেশের দুই নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের ব্যাপারে তোড়জোড় শুরু হয়েছে। এ বার সেই নিয়োগের বিরোধিতা করেই সুপ্রিম কোর্টে গেল কংগ্রেস। নরেন্দ্র মোদী সরকার যাতে কোনও ভাবেই নির্বাচন কমিশনার নিয়োগে হস্তক্ষেপ না করে, তার আবেদন জানিয়ে দেশের শীর্ষ আদালতে মামলা দায়ের করলেন মধ্যপ্রদেশের এক কংগ্রেস নেত্রী।
শনিবার পদত্যাগ করেছেন নির্বাচন কমিশনার অরুণ গোয়েল। অন্যদিকে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি আরেক নির্বাচন কমিশনার অনুপ চন্দ্র পাণ্ডে ৬৫ বছর বয়সে অবসর নেন। এর ফলেই কমিশনে দুটি শূন্যপদ তৈরি হয়েছে। বর্তমানে গোটা দায়িত্ব একা সামলাচ্ছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার। গতকালই জানা গিয়েছিল, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) পৌরহিত্যে আগামী ১৫ মার্চ বৈঠক হবে। সেদিনই দুই নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগ হতে পারে। এর মধ্যেই ওই নিয়োগ পদ্ধতির বৈধতা নিয়ে মামলা উঠল।
মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেস নেতা জয়া সুপ্রিম কোর্টের ২০২৩ সালের একটি নির্দেশ উল্লেখ করেছেন পিটিশনে। যেখানে সাংবিধানিক বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছিল, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলের নেতা এবং সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত প্যানেলের পরামর্শেই নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ করতে হবে। যদিও সংশোধিত পদ্ধতিতে ওই প্যানেল থেকে বাদ পড়েছেন প্রধান বিচারপতি। বদলে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের এই নয়া প্যানেলের সাংবিধনিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছেন মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেস নেতা।
এদিকে অরুণ গোয়েল কেন আচমকা ইস্তফা দিলেন, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক মহলে। অনেকের দাবি, কে্ন্দ্রের সঙ্গে একাধিক বিষয়ে মতবিরোধের জেরেই পদ ছেড়েছেন তিনি। তার মধ্যে অন্যতম কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে ভিন্ন মত। কংগ্রেসের মামলার পর সুপ্রিম কোর্টের দিকে তাকিয়ে সকলে। বর্তমান জটিলতায় ভোট পিছিয়ে যাবে না তো? এমন প্রশ্নও উঠছে।
