
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুললেন বিদ্রোহী সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তাঁর দাবি, বাংলাদেশের একটি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে তৃণমূলের সরাসরি যোগাযোগ ছিল। এমনকী প্রতিবেশী দেশের নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রেও তৎকালীন শাসকদল জড়িত ছিল বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
আসলে সম্প্রতি এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম বিস্ফোরক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে তৃণমূলের প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ তথা সাংবাদিক ইমরানের সঙ্গে সরাসরি যোগ রয়েছে বাংলাদেশের উগ্রপন্থী সংগঠনের। শুধু তাই নয়, বাংলায় তৃণমূল জমানায় যে বিরাট চিটফান্ড কেলেঙ্কারি প্রকাশ্যে এসেছিল, সেই কেলেঙ্কারির টাকাও গিয়েছে বাংলাদেশে। এবং সেই টাকা ব্যবহার করা হয়েছে বাংলাদেশের নির্বাচিত সরকার ফেলার কাজে।
এখানেই শেষ নয়, দীর্ঘদিন ধরে যে তৎকালীন রাজ্য সরকারের আমলে সীমান্ত সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় জমি বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হয়নি, সেটা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে ওই রিপোর্ট। ওই রিপোর্টের কথা তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং এস জয়শঙ্করকে বিস্ফোরক চিঠি দিয়েছেন কাকলি। এ বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত চেয়েছেন তিনি। চিঠিতে তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদ লিখছেন, “এই অভিযোগগুলি এখনও প্রমাণিত নয় ঠিকই, কিন্তু এগুলি এতটাই গুরুতর অভিযোগ যে সত্যতা যাচাই করা অতি প্রয়োজনীয়। সেজন্যই পুরো বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত।”
কাকলি ঘোষ দস্তিদারের আনা অভিযোগগুলি যদি তদন্তে সত্য বলে প্রমাণিত হয়, তাহলে তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য তা বড়সড় রাজনৈতিক অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠতে পারে। এমনিতেই নির্বাচনে পরাজয়ের পর দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর একটি মন্তব্যকে ঘিরে দেশ-বিদেশে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তার মধ্যেই বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ এবং প্রতিবেশী দেশের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহে হস্তক্ষেপের অভিযোগ নতুন করে রাজনৈতিক চাপ বাড়িয়েছে।
