Breaking News
 
BJP : প্রতি মাসে মহিলাদের ৩০০০ অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার, সরকারি বাসে মহিলাদের টিকিট ফ্রি পয়লা জুন থেকেই মিলবে সিদ্ধান্ত সরকারের Kunal Ghosh : রাজনৈতিক সৌজন্যে শুভেন্দুকে কুণালের শুভেচ্ছা, তালিকায় শোভনদেব-অসীমা, অনুপস্থিত নয়না West Bengal Cabinet Ministers 2026: :নতুন মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব বণ্টন শুরু, দিলীপ-অগ্নিমিত্রাদের কোন দপ্তর? একনজরে তালিকা Suvendu Adhikari : প্রশাসনিক রদবদলে বড় ঘোষণা, প্রথম ক্যাবিনেটে ষাটোর্ধ্ব আমলাদের সরিয়ে দিলেন শুভেন্দু Humayun kabir : পঞ্চায়েত সমিতিতে বড় বিতর্ক, ২৮ কোটির দুর্নীতির অভিযোগে আতাউর, তালা ঝুলল অফিসে Subhendu Adhikari : আগামী সোমবার মন্ত্রিসভা বৈঠকে ডিএ ও পে কমিশন নিয়ে আলোচনা, ইঙ্গিত শুভেন্দুর

 

West Bengal

2 years ago

Manoranjan Byapari And Runa Khatun: তৃণমূল বনাম তৃণমূল!ফেসবুকে পোস্ট,ভাঙচুর কার্যালয়

Manoranjan Byapari And Runa Khatun (File picture)
Manoranjan Byapari And Runa Khatun (File picture)

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ বলাগড়ে শুরু হওয়া এই রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে। শুরু হয়ে গিয়েছে তৃণমূল বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী বনাম নেতৃত্বের একাংশের রাজনৈতিক সংঘর্ষ। নাম না করে তৃণমূল যুবনেত্রী তথা বলাগড়ের জেলা পরিষদের সদস্য রুনা খাতুনকে ‘ফুলন দেবী’ বলে বুধবার সকালে আক্রমণ শানিয়েছিলেন মনোরঞ্জন। এই আক্রমণের পরে পাল্টা সুর চড়িয়েছিলেন রুনাও। বলাগড়ে শুরু হওয়া এই রাজনৈতিক চাপানউতোরের মধ্যেই বুধবার রাতে মনোরঞ্জনের করা নতুন একটি ফেসবুক পোস্ট ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, “আমি এখন কলকাতায়। খবর পাওয়া গিয়েছে রুনা খাতুন না কি তাঁর দলবল পাঠিয়ে আমার বিধায়ক কার্যালয় ভাঙচুর করেছে। এ বার আমার পাল্টা দেওয়ার সময় এসেছে। আসছি আমি বলাগড়ে। এ বার খেলা জমে যাবে।” যদিও তাঁর এই পোস্টের পর রুনার কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, বুধবার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি দীর্ঘ পোস্টে মনোরঞ্জন তাঁর ক্ষোভ উগরে দেন। তিনি লেখেন, “সেই যে— বলাগড়ের ফুলন দেবী! যে সঙ্গে কুড়ি পঁচিশজন সার্ফ শুটার নিয়ে ঘোরে, যে আমাকে মহিপালপুরে জনসভা করে মাটিতে পুঁতে দেবে বলেছে! হয় সে আমাকে সত্যি সত্যিই পুঁতে দেবে, আর তা না হলে আমি তাঁকে তাঁর রাজনৈতিক জীবন থেকে রিটায়ার করিয়ে দেব। দেখব, তাঁর কোলকাতার ‘বাবু’ তাকে কি ভাবে বাঁচায়!’’ নাম না করে এক জনের বিরুদ্ধে বিহিত চেয়ে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের দ্বারস্থ হবেন বলেও সেই ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি। এই পোস্টের বিরুদ্ধে পাল্টা কটাক্ষ করতে ছাড়েননি রুনাও। তিনি জানান, মামলার জন্য যদি বিধায়কের টাকা-পয়সার প্রয়োজন হয়, তাহলে সেই সাহায্য তিনি করবেন।

বুধবারের করা ওই ফেসবুক পোস্টে মনোরঞ্জন আরও বলেন, “নিজের বিধানসভা কেন্দ্র থেকে আমাকে বাধ্য হয়ে দূরে থাকতে হচ্ছে।” কিন্তু কেন তিনি বলাগড় বিধানসভা থেকে দূরে বসে আছেন, এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। মনোরঞ্জন ফেসবুকে লেখেন, ‘‘সেই কদাকার ঘটনাক্রম নিয়ে আগামী ৭ জানুয়ারি রাত ৮টার সময় আমি ফেসবুক লাইভ করতে চলেছি।’’  এই গোটা ঘটনায় বিধায়ককে পাল্টা কাঠগোড়ায় তোলেন রুনা। তাঁর কথায়, ‘‘উনি (মনোরঞ্জন) নিজেই নিজের নামে বলছেন। নিজের গায়ে কাদা ছুড়ছেন। মানসিক সমস্যা আছে ওঁর। উনি মাঝে মধ্যেই কাউকে না কাউকে আক্রমণ করে চলেছেন। আসলে আক্রমণ ছাড়া উনি থাকতে পারেন না।’’

সামনেই লোকসভা নির্বাচন। তার আগে দলের অন্দরে এই ‘লড়াই’ কি সঙ্কটে ফেলবে তৃণমূলকে? যুবনেত্রী রুনা জানান, এ রকম ভাবার কোনও কারণ নেই। পুরো বিষয়টি দলকে জানানো হয়েছে। দল নিশ্চয়ই এ ব্যাপারে কোনও সিদ্ধান্ত নেবে।

You might also like!