Breaking News
 
West Bengal Budget: বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য সুখবর, ৪ শতাংশ বাড়ল ডিএ, গঠিত হবে সপ্তম বেতন কমিশন Mamata Banerjee: আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডে মুখ্যমন্ত্রী না যাওয়াকে কেন্দ্র করে বিতর্ক, কারণ জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় Mamata Banerjee on Suvendu Adhikari: বাজেট অধিবেশনে রাজ্যপালের ভাষণ ঘিরে তীব্র বাকযুদ্ধ, অনুপ্রবেশ বনাম ভিনরাজ্যে বাঙালি নিগ্রহ প্রসঙ্গে মুখোমুখি মমতা–শুভেন্দু West Bengal Budget: সংক্ষিপ্ত রাজ্যপাল ভাষণ ঘিরে বিধানসভায় রাজনৈতিক তরজা, ভোট অন অ্যাকাউন্টের দিনেই শাসক-বিরোধী মুখোমুখি WB interim budget 2026: গিগ কর্মীদের জন্য ‘কবচ’ স্বাস্থ্যসাথী! বাজেটে বড় চমক রাজ্যের, বিনামূল্যে চিকিৎসা পাবেন হাজার হাজার শ্রমজীবী West Bengal Budget 2026: কেন্দ্র না দিলেও পাশে আছে রাজ্য! ১০০ দিনের কাজে বরাদ্দ বৃদ্ধির প্রস্তাবে সিলমোহর, বাজেটে শ্রমিকদের জন্য বড় সুখবর

 

Life Style News

1 month ago

Parenting Tips: সোশাল মিডিয়ায় কিশোরের ভারচুয়াল বন্ধুত্ব- দুশ্চিন্তায় অভিভাবক, কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা

Guide to Talking with Teenage Kids via Chat
Guide to Talking with Teenage Kids via Chat

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: দিনরাত হাতে মোবাইল, চোখের পলক পড়ছে না সোশাল মিডিয়া থেকে। কার সঙ্গে এত কথা? প্রশ্ন করলেই উত্তর—“বন্ধুর সঙ্গে চ্যাট করছি।” বাস্তবে বন্ধুর সংখ্যা হাতেগোনা হলেও ভারচুয়াল দুনিয়ায় কিশোর-কিশোরীদের ফলোয়ার আর বন্ধুর তালিকা দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। এই প্রবণতা দেখে অনেক অভিভাবকই উদ্বিগ্ন। সন্তান কি নিরাপদ? কার সঙ্গে কথা বলছে সে? প্যারেন্টিং বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতিতে রেগে গিয়ে বকাঝকা করলে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। কারণ, কিশোর বয়স মানেই স্বাধীনতার খোঁজ, নিজের মতো করে বন্ধুত্ব গড়ে তোলার চেষ্টা। সোশাল মিডিয়া সেই সুযোগ সহজ করে দিয়েছে। তবে এর ঝুঁকিও কম নয়। তাই সচেতন থেকে শান্ত মাথায় শিশুকে ইতিবাচক পরামর্শ দিন। 

* অযথা আতঙ্কিত হবেন না। দুশ্চিন্তা করবেন না। সন্তানকে বোঝানোর আগে নিজে শান্ত হোন। চোখ বন্ধ করে জোরে জোরে শ্বাস নিন।

* এবার সন্তানের সঙ্গে কথা বলতে শুরু করুন। তার সঙ্গে বন্ধুর মতো হাবভাব করুন। সোশাল মিডিয়ায় ঠিক কতজন বন্ধু, কারা বেশি ঘনিষ্ঠ, কাদের সঙ্গে বেশি কথা হয়, কী ধরনের কথাবার্তা হয় – সেসব জানার চেষ্টা করুন।

* হয়তো একদিনে সমস্ত তথ্য জানতে পারবেন না। তাতে কোনও সমস্যা নেই। ধীরে ধীরে সম্পূর্ণ তথ্য় জানার চেষ্টা করুন। তা বলে কখনই কিশোর সন্তানকে জেরা করবেন না।

* সন্তানের সোশাল মিডিয়ায় অ্যাকাউন্টে অতিরিক্ত নজর রাখবেন না। ভুলেও তালে লুকিয়ে ফোন ঘাঁটবেন না।

* কখনই বলবেন না, “অনলাইনে তুমি কারও সঙ্গে কথা বলবে না।” বর্তমান যুগে সত্যিই তা আর সম্ভব নয়। কারণ, মোবাইল আর ইন্টারনেটের যুগে সোশাল মিডিয়ায় ব্যস্ত প্রায় প্রত্যেকে। মনে রাখবেন, আপনার সন্তানও সেই ভিড়ের মাঝেই একজন। তাই এভাবে তাকে আলাদা করতে পারবেন না। তাই অযথা সতর্কতায় কোনও কাজ হবে না।

* পরিবর্তে অতিরিক্ত চাপে সন্তানের হিতে বিপরীত হতে পারে।

* যাতে কাউকে কোনও ব্যক্তিগত তথ্য না দিয়ে ফেলে সে ব্যাপারে সন্তানকে বুঝিয়ে বলুন। 

* কাউকে কোনওরকম ছবি পাঠাতে বারণ করুন।

* না জানিয়ে কোনও সোশাল মিডিয়া বন্ধুর সঙ্গে দেখা সাক্ষাৎ করতেও বারণ করুন। কারও সঙ্গে কফি শপে কিংবা রেস্তরাঁয় সে যেতেই পারে তবে অবশ্যই বাড়িতে জানিয়ে।

* যদি সোশাল মিডিয়ার কোনও বন্ধু তাকে বিরক্ত করে, তবে অবশ্যই যেন পরিবারের কাউকে জানায় তা বলে রাখুন।

সব মিলিয়ে, ভয় নয়—বিশ্বাস আর সচেতনতার মধ্য দিয়েই কিশোর সন্তানকে ভারচুয়াল দুনিয়ার ভালো-মন্দ বুঝিয়ে দেওয়াই আজকের প্যারেন্টিংয়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

You might also like!