
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: সকাল থেকে রাত—ল্যাপটপের স্ক্রিন আর জুম মিটিংয়ের ব্যস্ততায় কাটছে দিন। আধুনিক দম্পতিদের জীবনে এখন সবচেয়ে বড় অভাব হলো ‘কোয়ালিটি টাইম’-এর। কাজের চাপে দিনের শেষে কথা বলার মানসিক শক্তিটুকুও অবশিষ্ট থাকে না। ফলে সম্পর্কের মাঝে নিঃশব্দে বাসা বাঁধছে একঘেয়েমি আর দূরত্ব। এই যান্ত্রিক জীবনে চটজলদি উষ্ণতা আর ঘনিষ্ঠতা ফেরাতে জীবনশৈলী বিশেষজ্ঞরা দিচ্ছেন এক অনন্য পরামর্শ— ‘কাপল শাওয়ার’ বা একত্রে স্নান।এই সময় শারীরিক স্পর্শের ফলে শরীরে ‘অক্সিটোসিন’ বা ‘ভালোবাসার হরমোন’ নিঃসৃত হয়। যা একে অপরের প্রতি বিশ্বাস ও মানসিক টান বাড়িয়ে দেয়। একে অপরের অঙ্গ ছোঁওয়া বা কাছে আসার মতো আবেগগুলো পরস্পরের প্রতি যত্ন ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ।
দীর্ঘদিন ধরে দূরে সরে থাকলে, কিংবা একঘেয়েমিতে ভুগলে কাছে আসার এই সুযোগ ভুলেও হাতছাড়া করবেন না। সম্পর্কের রসায়ন মজবুত করতে স্নানঘরে আদরে ভাসতে সমস্যা কী? সঙ্গীর হাত ধরে স্নানে যান। ধীরে ধীরে প্রেমের উষ্ণতায় ভরিয়ে তুলুন মুহূর্ত। সম্পর্কের ভিত আরও পুষ্ট হবে। দাম্পত্য সুখ বাড়িয়ে তুলতে এই প্রয়াস অনন্য।বাস্তবতার নিরিখে দেখলেও এর অনেক সুফল আছে। একসঙ্গে স্নান করলে সময় ও জল—উভয়ই সাশ্রয় হয়। আর এই অভিজ্ঞতাকে রাজকীয় করতে বর্তমানে বাজারে এসেছে উন্নত ‘ডুয়াল শাওয়ার সিস্টেম’। যেমন ‘বোস্টিংনার’-এর ১২ ইঞ্চির রেইন শাওয়ার এবং হ্যান্ডহেল্ড শাওয়ারের সমন্বয়। এই আধুনিক প্রযুক্তি বাথরুমকেই বানিয়ে তুলতে পারে আপনার প্রিয় ছোট্ট ‘স্পা’।
পরিণত সম্পর্কে কিছুটা ভিন্ন স্বাদের রোমাঞ্চ যোগ করতে এই অভ্যাসের তুলনা নেই। দিনের শেষে সব ক্লান্তি ধুয়ে ফেলে একে অপরের সান্নিধ্যে কাটানো এই কয়েক মিনিট হতে পারে জীবনের সেরা সঞ্চয়। তাই সম্পর্কের বাঁধন আরও শক্ত করতে আজই শাওয়ারের নিচে সামিল হোন আপনার সঙ্গীর সঙ্গে।
