Breaking News
 
CEC Complaint Row: জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে FIR মহুয়ার! ‘সুপ্রিম-নির্দেশের অবমাননা’, মামলা চেয়ে কেন্দ্রের কাছে চিঠি Milan Pradhan in 2007 case: মিলনের শ্যোন অ্যারেস্ট নিয়ে নতুন মোড়! সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশের বিরোধিতায় ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্য Nandigram Bye Election : জেলবন্দি মিলনের হয়ে মাঠে অর্পিতা! মমতা-রাহুলকে ধন্যবাদ, শুক্রবার থেকেই নন্দীগ্রামে প্রচার Festival Firecracker Curbs: বাজি পোড়ানোয় কড়া নিষেধাজ্ঞা! উৎসবের মরশুমে লেজার লাইটও বন্ধ রাখার নির্দেশ বম্বে হাই কোর্টের Annapurna Bhandar: বেহাল রাস্তা সারাতে অন্নপূর্ণার টাকা! নিজের ২ মাসের ভাতা দান বিজেপি নেতার স্ত্রীর TMC name-symbol row: মমতার ‘প্রতীক-যুদ্ধ’! সিদ্ধান্ত নিতে কত সময়, কমিশনের কাছে জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট

 

kolkata

2 months ago

TMC :কালীঘাট বনাম ঋতব্রত শিবির! প্রতীক বিতর্কে থানায় অভিযোগ, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা

mamata-ritabrata-banerjee
mamata-ritabrata-banerjee

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: তৃণমূলের প্রতীক ও সংগঠনের বৈধতা ঘিরে রাজনৈতিক সংঘাত ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। ‘আসল তৃণমূল’ দাবি করে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠদের একের পর এক কর্মসূচি এবং অরূপ রায়কে দলের চেয়ারম্যান ঘোষণা করার পর এবার পাল্টা আইনি পদক্ষেপ নিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন কালীঘাট তৃণমূল। ঋতব্রতপন্থী শিবিরের বিরুদ্ধে কলকাতার তিনটি থানার পাশাপাশি সাইবার ক্রাইম বিভাগে মোট চারটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ, দলীয় প্রতীকের অবৈধ ব্যবহার, অনুমতি ছাড়া সংগঠনের নাম ও পরিচয় ব্যবহার এবং অরূপ রায়কে চেয়ারম্যান ঘোষণা-সহ একাধিক বেআইনি কার্যকলাপে জড়িত ঋতব্রতপন্থীরা।কিছুদিন আগে নিউ টাউনের একটি অভিজাত হোটেলে বৈঠকে বসেছিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা। সেখান থেকেই অরূপ রায়কে চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। তাই নিউটাউনে একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। শনিবার তপসিয়ায় একটি বৈঠক করেছে সন্দীপন সাহা, জাভেদ খান-সহ তৃণমূল নেতারা। তাই প্রগতি ময়দান খানাতেও দায়ের হয়েছে একটি এফআইআর। এছাড়া তৃণমূলের সদর দপ্তর কালীঘাট এলাকায়, তাই কালীঘাট থানাতেও আরেকটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সেই সঙ্গে সাইবার ক্রাইমে অভিযোগ জানিয়েছে মমতাপন্থী তৃণমূল। 

ঋতব্রতদের বিরুদ্ধে কালীঘাট তৃণমূলের অভিযোগটা ঠিক কী, সেটা বুঝতে গেলে মূল সংগঠনের কয়েকটি বিষয়বস্তু জেনে নেওয়া প্রয়োজন। কালীঘাট সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২২ সালে তৃণমূলের একটি সাংগঠনিক সম্মেলন হয়েছিল। সেই সম্মেলনে উপস্থিত ডেলিগেটসরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আজীবন তৃণমূলের চেয়ারপার্সন রাখা হবে এই মর্মে ভোট দিয়েছিলেন। বলে রাখা দরকার, এই সম্মেলনে ডেলিগেট হিসেবে ভোটদানের অধিকার তারাই পেতে পারে যাদের কম করে পাঁচ বছরের সদস্যপদ রয়েছে। হিসেব মতো ৫ বছর অন্তর ওই সম্মেলন হওয়ার কথা। অর্থাৎ আগামী বছর ২০২৭ এ ফের সাংগঠনিক সম্মেলন হওয়ার কথা তৃণমূলে। এরমধ্যে যদি কোনও বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি হয়, তাহলে যে বিশেষ অধিবেশন ডাকতে হবে সেখানে উপস্থিত থাকতে হবে  ‘চেয়ারপার্সন’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখানেই কালীঘাট শিবিরের অভিযোগ, সে সব না করে কার্যত ‘অবৈধভাবে’ তৃণমূল নেত্রীর অনুপস্থিতিতেই ঋতব্রত শিবির তাঁদের ‘চেয়ারপার্সন’ হিসাবে অরূপ রায়ের নাম ঘোষণা করল এবং তারপর থেকেই দলের ‘ঘাসফুল’ প্রতীক এবং ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম ব্যবহার করা হচ্ছে, যা অবৈধ বলে দাবি কালীঘাট শিবিরের। যদিও এক্ষেত্রে ঋতব্রত তৃণমূলের দাবি, প্রতীক নিয়ে ইতিমধ্যে কমিশনকে জানানো হয়েছে। তারাই এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। 

You might also like!