Breaking News
 
Kolkata High Court to CPIM: পুজোয় বুকস্টল বসানো নিয়ে বামেদের মামলা, দুর্গাপুজোর আগে শুনানিতে নারাজ হাই কোর্ট Anti-CEC row: জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে রাহুলের পিটিশন, ‘রাষ্ট্রপতি প্রমাণ চাইতেই পালিয়েছেন’, তোপ বিজেপির CM Suvendu Adhikari: রাজস্ব আদায়ে নতুন নজিরের দাবি শুভেন্দুর, উপনির্বাচনে জয়ের পর হুমায়ুনকে কটাক্ষ মুখ্যমন্ত্রীর Houthi Strike Saudi Arabia | আগুনে জ্বলছে রিয়াধ বিমানবন্দর, হাউথি হামলায় মৃত ১৩, বিপদের মুখে দাম্মামও India protest: জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে সুপ্রিম অভিযান, রাহুল-মমতার কর্মসূচিকে নিশানা বিজেপির West Bengal Police: ‘পুলিশের সংখ্যায় উত্তরপ্রদেশকেও ছাপাবে বাংলা’, ১১ হাজার নিয়োগপত্র তুলে দিয়ে বড় বার্তা শুভেন্দুর

 

kolkata

2 years ago

Ramkrishna Mission Attacked:জলপাইগুড়ির রামকৃষ্ণ মিশনে হামলার পিছনে ছিল KGFগ্যাং, প্রকাশ্যে এল সত্যিটা

The KGF gang was behind the Jalpaiguri Ramakrishna Mission attack
The KGF gang was behind the Jalpaiguri Ramakrishna Mission attack

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ জলপাইগুড়ির সেবক রোডে রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রম ভবনে হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই অভিযুক্ত। তবে ফেরার মূল অভিযুক্ত প্রদীপ রায়। ঘটনার পর ৪৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও তাঁর খোঁজ পায়নি পুলিশ।     তবে জানা যাচ্ছে, এই হামলার পিছনে নাকি রয়েছে কেজিএফ (KGF) গ্যাং। দক্ষিণী সিনেমার অনুকরণে নামটি রাখা হয়েছে দুষ্কৃতী বাহিনীর। সূত্রের খবর, জমি দখলে সিদ্ধহস্ত এই গ্যাং। যে কোনও দুষ্কৃর্মে ‘মাসল ম্যানের’ জোগান দেয় এই গ্যাং।

মধ্যরাতে শিলিগুড়ি রামকৃষ্ণ মিশনে হামলা অভিযোগের ওঠার পর থেকে পুলিশি তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। এরপর রাত্রিবেলা গ্রেফতার হয় বেশ কয়েকজন। সূত্রের খবর, অভিযুক্তরা কেজিএফ গ্যাং-এর সদস্য।

সূত্রের খবর, জমি দখল থেকে শুরু করে কাউকে শায়েস্তা করা সবেতেই নাম রয়েছে কেজিএফ-এর। রেটচার্ট ধরে টাকা ফেললেই কাজে নেমে পড়ে এই গ্যাং৷ শিলিগুড়ির জমি দখলের কারবারে ম্যাসল ম্যান চাইলেও জোগান দেয় এরা। সূত্রের খবর, প্রথম দিকে ছোটখাটো ঘটনা ঘটাতো এই চক্র। এরপর তারা জমির দখলের কারবারের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে তারা।

তবে পাঁচজন গ্রেফতার হলেও রামকৃষ্ণ মিশনের বিরুদ্ধেই দায়ের হয়েছে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা। উল্লেখ্য, শিলিগুড়ির ‘সেবক হাউস’ নামে একটি বাড়িতে শনিবার রাত সাড়ে ৩টে নাগাদ জনা পঁত্রিশেক দুষ্কৃতী আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে  মিশনের ঘরে ঢোকে। সন্ন্যাসীদের উপর চড়াও হয়। তাঁদের শারীরিক নিগ্রহ করে বাড়ির বাইরে বার করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, পাঁচ সন্ন্যাসী ও বাড়িটির নিরাপত্তারক্ষীদের তুলে নিয়ে গিয়ে নিউ জলপাইগুড়ি রেলস্টেশনের সংলগ্ন এলাকায় ছেড়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় নাম জড়ায় প্রদীপ রায় নামে এক ব্যক্তির। মিশন-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে ভক্তিনগর থানায়। তবে জানা যায় মিশন অভিযোগ দায়েরের ঠিক এক ঘণ্টা পরেই প্রদীপ রায় পাল্টা একটি অভিযোগ দায়ের করেন। সেই ভক্তিনগর থানাতেই। এরপরই তৈরি হয় বিতর্ক।


You might also like!